জ্বালানি সরবরাহে সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাড়ছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য কর কমানো, বিকল্প জ্বালানি বিক্রির অনুমতি এবং পরিবহন বিধিনিষেধ শিথিলসহ নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জর্জিয়া, ইন্ডিয়ানা ও কেনটাকিতে পাম্প পর্যায়ে জ্বালানির ওপর কর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়া ও মিশিগান বিক্রির জন্য অনুমোদিত জ্বালানির ধরন বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে সংকটের সময় বাজারে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
জ্বালানি পরিবহন স্বাভাবিক রাখতে মন্টানা, নেব্রাস্কা ও সাউথ ডাকোটায় জ্বালানি ও কৃষিপণ্য পরিবহনের ওপর থাকা কিছু বিধিনিষেধও শিথিল করা হচ্ছে। এদিকে কৃষিকাজসহ বিভিন্ন অফ-রোড কাজে ব্যবহৃত রেড-ডাইড ডিজেল বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করছে হোয়াইট হাউস। এই ধরনের ডিজেল অধিকাংশ ফেডারেল জ্বালানি কর থেকে অব্যাহতি পায়।
এর আগে দেশীয় বাজার স্থিতিশীল রাখতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রয়টার্স বলছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এবং ইউক্রেনের চলমান সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।
সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।
সম্পাদক মন্ডলী
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ ইউসুফ আলী
হেড অব নিউজ ( মাল্টিমিডিয়া ) : রুবেল আহাম্মেদ নান্নু
Copyright © 2026 আমাদের পত্রিকা. All rights reserved.