ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২,২১৬ টাকা বৃদ্ধি উতরপ্রদেশের যমুনায় নৌকাডুবি! নিখোঁজ ৬ হাউসপুরে রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ আধুনিক ডেইরি ব্যবস্থাপনায় নারী খামারিদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক ‘প্রথম ভালোবাসা নিয়ে ভাইরাল হতে চাই না,’ জানালেন তানজিয়া জামান মিথিলা মেরির মূর্তি অবমাননা বিজেপির জয়ে বিএনপি নেতার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মুকসুদপুরে পেট্রোল-অকটেন সংকট: বিপাকে যানবাহনের মালিকরা

মিরান গাজী, মুকসুদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে

মুকসুদপুরে পেট্রোল-অকটেন সংকট: বিপাকে যানবাহনের মালিকরা

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের মালিকরা। হঠাৎ করেই উপজেলার প্রায় সব ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন উধাও হয়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলায় অবস্থিত মুকসুদপুর ফিলিং স্টেশন, নিশাতলা ফিলিং স্টেশন এবং মা ফিলিং স্টেশন—এই তিনটি পাম্পেই বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোথাও কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাতের দিকে কিছু পাম্পে ২০০ টাকার সীমিত তেল দিয়ে ‘শেষ’ ঘোষণা করা হচ্ছে। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের খুচরা দোকানেও পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হতে দেখা গেলেও বর্তমানে সেখানেও তেলের সংকট প্রকট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে তেল বিক্রি করলেও প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/29/দিনাজপুরের-পার্বতীপুরে-জ/

এই সংকটের কারণে উপজেলার চাকরিজীবী, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না। প্রতিদিন যেখানে রাস্তায় শত শত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চলাচল করতো, সেখানে এখন যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন পেট্রোল ও অকটেন ‘সোনার হরিণ’-এর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা জানান, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ না পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/29/রায়গঞ্জে-তথ্য-গোপন-করে-ব/

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির নিয়মিত ফিলিং স্টেশনগুলো তদারকি করছেন। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তেল মজুদ রাখার অভিযোগে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে (ইরান, আমেরিকা ও ইসরাইলের চলমান উত্তেজনা) অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। তারা গোপনে তেল মজুদ রেখে অধিক মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সাধারণ মানুষ দ্রুত এই সংকট নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মুকসুদপুরে পেট্রোল-অকটেন সংকট: বিপাকে যানবাহনের মালিকরা

আপডেট সময় : ১২:২০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের মালিকরা। হঠাৎ করেই উপজেলার প্রায় সব ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন উধাও হয়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলায় অবস্থিত মুকসুদপুর ফিলিং স্টেশন, নিশাতলা ফিলিং স্টেশন এবং মা ফিলিং স্টেশন—এই তিনটি পাম্পেই বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোথাও কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাতের দিকে কিছু পাম্পে ২০০ টাকার সীমিত তেল দিয়ে ‘শেষ’ ঘোষণা করা হচ্ছে। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের খুচরা দোকানেও পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হতে দেখা গেলেও বর্তমানে সেখানেও তেলের সংকট প্রকট। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে তেল বিক্রি করলেও প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/29/দিনাজপুরের-পার্বতীপুরে-জ/

এই সংকটের কারণে উপজেলার চাকরিজীবী, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না। প্রতিদিন যেখানে রাস্তায় শত শত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চলাচল করতো, সেখানে এখন যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন পেট্রোল ও অকটেন ‘সোনার হরিণ’-এর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা জানান, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ না পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/29/রায়গঞ্জে-তথ্য-গোপন-করে-ব/

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির নিয়মিত ফিলিং স্টেশনগুলো তদারকি করছেন। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তেল মজুদ রাখার অভিযোগে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে (ইরান, আমেরিকা ও ইসরাইলের চলমান উত্তেজনা) অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। তারা গোপনে তেল মজুদ রেখে অধিক মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সাধারণ মানুষ দ্রুত এই সংকট নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।