ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
প্রায় এক দশক পর চীন সফরে ট্রাম্প কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ, ঢাকায় প্রতি বর্গফুট ৬২–৬৭ টাকা তৃণমূলকে সক্রিয় করতে মাঠে ফিরছে বিএনপি, লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু এনসিপি নেতা সারজিস আলমকে নিয়ে সাবেক নেত্রীর কঠোর মন্তব্য সংসদের সফলতা নির্ভর করবে কার্যকারিতার ওপর: মঈন খান শ্বাশুরির পরকীয়া ফাস করায় গৃহবধূকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখে, স্বামী-শ্বাশুরি বাড়ি ছেড়ে উধাও রাজশাহীতে জম্বি মাদক আতঙ্ক বোদা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এনসিপির প্রার্থী তালিকায় শিশির আসাদ দর্শনায় যুবদলের নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, থানায় মামলা চুয়াডাঙ্গা জেলা জিয়া মঞ্চের অর্থ সম্পাদক হলেন ইকরামুল হক সোহাগ

চুয়াডাঙ্গায় হামের প্রাদুর্ভাব: ৮ মাসের শিশুর মৃত্যু, আতঙ্কে অভিভাবকরা

বশিরুল আলম, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা:
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চুয়াডাঙ্গা জেলায় আবারও হাম-এর উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমির হামজা নামে আট মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়। মৃত শিশুটি দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহিমের ছেলে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো দুইজনে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/03/সারা-দেশের-সঙ্গে-নীলফামা/

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল হামের লক্ষণ নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় আমির হামজাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। এদিকে জেলায় হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই ওয়ার্ডে ৭৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ১৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/03/আলমডাঙ্গায়-ট্যাপেন্টাড/

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. নাজমুস সাকিব জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত চিকিৎসায় অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, দুজন শিশুর মৃত্যু পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সংক্রমণ রোধে শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়া এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সচেতনতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় হামের প্রাদুর্ভাব: ৮ মাসের শিশুর মৃত্যু, আতঙ্কে অভিভাবকরা

আপডেট সময় : ১১:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলায় আবারও হাম-এর উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমির হামজা নামে আট মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়। মৃত শিশুটি দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহিমের ছেলে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো দুইজনে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/03/সারা-দেশের-সঙ্গে-নীলফামা/

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল হামের লক্ষণ নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় আমির হামজাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। এদিকে জেলায় হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই ওয়ার্ডে ৭৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ১৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/03/আলমডাঙ্গায়-ট্যাপেন্টাড/

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. নাজমুস সাকিব জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত চিকিৎসায় অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, দুজন শিশুর মৃত্যু পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সংক্রমণ রোধে শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়া এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সচেতনতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।