ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
শ্বাশুরির পরকীয়া ফাস করায় গৃহবধূকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখে, স্বামী-শ্বাশুরি বাড়ি ছেড়ে উধাও রাজশাহীতে জম্বি মাদক আতঙ্ক বোদা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এনসিপির প্রার্থী তালিকায় শিশির আসাদ দর্শনায় যুবদলের নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, থানায় মামলা চুয়াডাঙ্গা জেলা জিয়া মঞ্চের অর্থ সম্পাদক হলেন ইকরামুল হক সোহাগ আলমডাঙ্গায় মাইক্রোবাসে ডাকাতির অভিযোগ, চালককে ঘিরে রহস্য ও আপসের গুঞ্জন মাঠের দুরন্ত অপু থেকে রহস্যময় মৃত্যু আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার, গ্রেফতার ১ ফের ছত্তিশগড়ে তরমুজ আতংক, খাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে মৃত্যু কিশোরের বাঁকুড়ায় আইসক্রিমের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার 

মমতার ঘনিষ্ঠ থেকে বিজেপির মুখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০১১ সালের রাজনৈতিক পালাবদলে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং তৃণমূল কংগ্রেস-এর উত্থানে বড় অবদান রাখেন। তবে সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়। তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দেন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/04/গণনার-মাঝেই-উৎসবের-আমেজ-ব/

বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় কাঠামোয় পরিবর্তন, নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে অসন্তোষ—এসব কারণেই তৃণমূল থেকে তার দূরত্ব বাড়তে থাকে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের উত্থান সেই ব্যবধানকে আরও স্পষ্ট করে। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নন্দীগ্রাম আন্দোলন শুভেন্দুর জন্য এক মোড় ঘোরানো অধ্যায়। ওই আন্দোলনের নেতৃত্ব তাকে রাজ্য রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সহায়তা করে। পরবর্তীতে দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেওয়া ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের বড় সিদ্ধান্তগুলোর একটি। এই সময় তাকে সমর্থন দেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, যার মধ্যে ছিলেন অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদী

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/04/পশ্চিমবঙ্গের-কোচবিহারে-গ/

এদিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর উত্থানও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০২০ সালের নভেম্বরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে সংগঠন গড়ে তোলা ও নির্বাচনী কৌশলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, তার রাজনৈতিক লড়াই ও অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। তবে তার সাম্প্রতিক সাফল্য বা রাজনৈতিক দাবিগুলোর বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, এগুলো এখনো বিতর্কিত এবং চূড়ান্ত রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্ভর করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মমতার ঘনিষ্ঠ থেকে বিজেপির মুখ

আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০১১ সালের রাজনৈতিক পালাবদলে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং তৃণমূল কংগ্রেস-এর উত্থানে বড় অবদান রাখেন। তবে সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়। তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দেন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/04/গণনার-মাঝেই-উৎসবের-আমেজ-ব/

বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় কাঠামোয় পরিবর্তন, নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে অসন্তোষ—এসব কারণেই তৃণমূল থেকে তার দূরত্ব বাড়তে থাকে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের উত্থান সেই ব্যবধানকে আরও স্পষ্ট করে। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নন্দীগ্রাম আন্দোলন শুভেন্দুর জন্য এক মোড় ঘোরানো অধ্যায়। ওই আন্দোলনের নেতৃত্ব তাকে রাজ্য রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সহায়তা করে। পরবর্তীতে দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেওয়া ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের বড় সিদ্ধান্তগুলোর একটি। এই সময় তাকে সমর্থন দেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, যার মধ্যে ছিলেন অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদী

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/04/পশ্চিমবঙ্গের-কোচবিহারে-গ/

এদিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর উত্থানও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০২০ সালের নভেম্বরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে সংগঠন গড়ে তোলা ও নির্বাচনী কৌশলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, তার রাজনৈতিক লড়াই ও অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। তবে তার সাম্প্রতিক সাফল্য বা রাজনৈতিক দাবিগুলোর বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, এগুলো এখনো বিতর্কিত এবং চূড়ান্ত রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্ভর করছে।