শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনামঃ
এতিম ৫ কন্যার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের পাশে সরকার : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী পলাতকদের সাংগঠনিক তৎপরতার কোন সুযোগ নেই : পানিসম্পদ মন্ত্রী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র শান্তি : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রযুক্তি ও সেবা পৌঁছে দিতে হবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে গর্ভেশ্বরী শ্মশান কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের আলমডাঙ্গায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০ পিচ ট্যাপেন্টাডলসহ নারীসহ গ্রেপ্তার ২ দর্শনায় পাখিভ্যানে মাদক পাচারের চেষ্টা, ৬৮ বোতল এসকাপ সিরাপ উদ্ধার
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে *** দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে ***
হামের টিকা নিয়ে আগের সরকারের গাফিলতির খেসারত জাতিকে দিতে হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
/ ৫৮ বার
প্রকাশিত : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

নিউজ ডেস্ক:

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘ চার বছর গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দেশব্যাপী বিশাল পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে বলে তিনি জানান।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বনানীর কড়াইল টিএনটি খেলার মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় ধাপে হামের টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ রাখা এবং ওপেন টেন্ডার সিস্টেমের অজুহাতে বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন আমদানিতে আগের সরকারের দীর্ঘসূত্রতা ও গাফিলতির খেসারত জাতিকে দিতে হয়েছে। অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে।

তিনি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে জানান, প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে এক হাজারের মতো শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাক্রান্ত ও লজ্জার বিষয়।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গত ৫ এপ্রিল থেকে তিন পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এই কর্মসূচি চালিয়ে প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া আরও ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এই ক্যাম্পেইন আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনের জন্য ১০ লাখ টিকা সংরক্ষিত আছে, স্বাভাবিক টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে এই টিকা দেওয়া অব্যাহত থাকবে।

পুষ্টিহীনতা ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পুষ্টিহীনতার কারণে হাম পরবর্তী সময়ে শিশুরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং তাদের ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় আইসিডিডিআরবি-র চিকিৎসকদের দেশীয় উদ্ভাবনÑমাত্র ১৫০ টাকা খরচে পানির বোতলে নাইট্রাস পেপারের মাধ্যমে কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহের যুগান্তকারী পদ্ধতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে হাজার হাজার শিশুর প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

মহামারি ও সংকটে দেশের চিকিৎসকদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার মতো বিশ্ব সংকটেও আমাদের চিকিৎসকরা জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন। উন্নত বিশ্বের তুলনায় আমাদের দেশের চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠার কারণে মৃত্যুর হার অনেক কম ছিল। তিনি চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের পেজ