
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসান। এদিকে পরীক্ষার মৌসুমে মধ্যরাতে বিক্ষোভে ক্ষোভ জানিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।
বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে বের হয় ছাত্রদলের বক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদল নেতারা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যিক্ষোভ মিছিল। চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এ এফ রহমান হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদল নেতারা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন। শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন বলেন, চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান অভিযোগ করেন, চাকসুর নামে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাকসু সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
চাকসুর কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন। তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের আবাসনসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে চাকসুর কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না।
তবে ছাত্রদলের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসান। তিনি নিজেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টিও অস্বীকার করেন।
এদিকে আফনান হাসানকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের খবরও অস্বীকার করেছেন মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমির নুরুল কবির। তার ভাষ্য, শিবিরের কাউকে জামায়াত কীভাবে বহিষ্কার করবে—ছড়ানো তথ্যটি সত্য নয়।
অন্যদিকে পরীক্ষার মৌসুমে আবাসিক হলের সামনে মধ্যরাতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, এ ধরনের কর্মসূচির কারণে পড়াশোনা, ঘুম ও বিশ্রামে বিঘ্ন ঘটছে।

