
বশিরুল আলম, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির কার্যকরী পরিষদের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে বাড়ছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনী আমেজের মধ্যেই দপ্তর সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সনজু ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী ও আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক, গণমাধ্যমকর্মী এম সনজু আহমেদ।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং বণিক সমিতির স্থানীয় ভোটাররা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি বশিরুল আলম, আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাহিদ হাসান, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু, সাংবাদিক শরীফ, আল-আমিন হোসেন পরশ, ফাহিম ফয়সাল, খায়রুল ইসলাম, শেখ মইদুল ইসলাম, আল-আমিন বিশ্বাস হিমেল, সালমা খাতুনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী ও বণিক সমিতির স্থানীয় ভোটাররা।
আলমডাঙ্গা বণিক সমিতি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই এ নির্বাচনকে ঘিরে সমিতির সদস্যদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে এবং ব্যবসায়ীদের ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণে সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির ঘোষিত নির্বাচনী তফশিল অনুযায়ী, আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ অক্টোবর মনোনয়নপত্র বাছাই ও আপত্তি নিষ্পত্তি এবং ১৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯ অক্টোবর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা প্রচারণায় ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও মাইক ব্যবহার করতে পারবেন না। কেবল হ্যান্ডবিল ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। এ ছাড়া র্যালি, মিছিল ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২৯ অক্টোবর রাত ১২টার মধ্যে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করতে হবে। ভোট দেওয়ার সময় ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে।
সব মিলিয়ে আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ এখন স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের আলোচনার অন্যতম বিষয়। প্রার্থীদের অংশগ্রহণ, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

