সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনামঃ
আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রীমঙ্গলের প্রবাসী যুবকের মৃ”ত্যু আলমডাঙ্গায় আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাঁচটি রেলপথে যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর দাবি ভারতের উত্তরাখন্ডের জোশীমঠের কাছে হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে ৬ জনেরই মৃত্যু  কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫০.৫৫ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাপ্তাহিক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ অনুষ্ঠিত দর্শনায় ভাত খাওয়ার সময় গলায় আটকে প্রাণ গেল বৃদ্ধের শাহরুখের জন্মদিন ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা শনিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছাবে পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে *** দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে ***
টাকা না দেওয়ায় মেলেনি ট্রলি
/ ৫১ বার
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ন

এক হাতে অক্সিজেনের মাস্ক আর অন্য হাতে ঝুলছে স্যালাইনের বোতল। কোলে চার বছরের সংকটাপন্ন শিশু। পাশে আরেক স্বজনের হাতে ভারী অক্সিজেন সিলিন্ডার। এভাবেই মুমূর্ষু শিশুকে নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দিকে দিশেহারা হয়ে ছুটছেন স্বজনরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওকে ঘিরে হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ শিশু রুহুল আমিনকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নেওয়ার জন্য ট্রলি চাওয়া হলে হাসপাতালের কর্মচারীরা টাকা দাবি করেন। তাৎক্ষণিকভাবে দাবি করা টাকা দিতে না পারায় ট্রলি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্বজনদের। পরে কোনো উপায় না দেখে শিশুটিকে কোলে তুলে অক্সিজেন ও স্যালাইন নিয়ে জরুরি বিভাগের দিকে দৌড়াতে হয় তাদের।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম রুহুল আমিন। তার বয়স চার বছর। সে ফরিদপুর সদর উপজেলার পুরদিয়া গ্রামের মাফুজুরের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রুহুল আমিনকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর জন্য ট্রলির প্রয়োজন হলেও সেটি না পাওয়ায় স্বজনদের কোলে করেই শিশুটিকে নিয়ে যেতে হয়। এ সময় একজন শিশুটিকে কোলে নেন, আর অন্যরা অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্যালাইনের বোতল বহন করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অক্সিজেন মাস্ক পরা শিশুটিকে কোলে নিয়ে এক ব্যক্তি দ্রুত ছুটছেন। তার সঙ্গে থাকা অন্য দুজনের হাতে রয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্যালাইনের বোতল। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

স্বজনদের দাবি, ট্রলি পেতে দেরি হওয়া এবং এ নিয়ে টানাটানির কারণে শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। পরে সোমবার ৫ অক্টোবর বিকেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহুল আমিনের মৃত্যু হয়। তবে ট্রলি না পাওয়ার বিলম্বের কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও সচেতন মহল।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে ট্রলি চাওয়ার সময় টাকা দাবির অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের পেজ