মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনামঃ
আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রীমঙ্গলের প্রবাসী যুবকের মৃ”ত্যু আলমডাঙ্গায় আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাঁচটি রেলপথে যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর দাবি ভারতের উত্তরাখন্ডের জোশীমঠের কাছে হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে ৬ জনেরই মৃত্যু  কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫০.৫৫ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাপ্তাহিক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ অনুষ্ঠিত দর্শনায় ভাত খাওয়ার সময় গলায় আটকে প্রাণ গেল বৃদ্ধের শাহরুখের জন্মদিন ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা শনিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছাবে পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে *** দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে ***
নিরাপদ পরিবেশে লম্পটদের জঘন্য কীর্তি!
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ন

মোহাম্মদ মুজাহিদ:

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মধ্য কাটিয়া টাউন বাজারের পূর্ব পাশে ঢালিপাড়া মোড়ে অবস্থিত ‘তাকওয়া মাদ্রাসা’য় এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোখলেসুর রহমান ও হিফয বিভাগের প্রধান আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে তারা মাঠপাড়া এলাকার এক দিনমজুরের শিশু সন্তানকে (ছন্দনাম আমির) বলাৎকার করে আসছিলেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে।​

শুধু তাই নয়, অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, বাগেরহাটের অপর এক শিক্ষার্থীর (ছন্দনাম মঞ্জুর) সাথেও একই ধরনের জঘন্য ও নেক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন এই দুই লম্পট শিক্ষক।​ ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় কিছু পাতিনেতার ছত্রছায়ায় দুই অভিযুক্ত শিক্ষক এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বন্ধের পাশাপাশি অভিযুক্ত মোখলেসুর রহমান ও আব্দুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।​ অভিযোগ রয়েছে, নূরানী, নাযেরা ও হেফজুল কোরআন বিভাগের নামে চোখধাঁধানো ও চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করে আসছিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

অভিজ্ঞ শিক্ষিকা দ্বারা পাঠদান, সিসি ক্যামেরায় সুরক্ষিত ও নিরাপদ ক্যাম্পাস, বালিকাদের আলাদা পর্দা ও নিরাপদ পরিবেশ, কওমি ও সরকারি সিলেবাসের সমন্বয় এবং সন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার মুখরোচক প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিভাবকদের আকৃষ্ট করা হতো। কিন্তু এসব আকর্ষণীয় প্রচারণার আড়ালেই চলত কোমলমতি শিশুদের ওপর লালসা ও নির্যাতনের অভয়ারণ্য।​

অভিযুক্ত লম্পট মোখলেছুর রহমান ও আব্দুর রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান,​ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দ্বীন শিক্ষার পবিত্র নাম ভাঙিয়ে এই ধরনের অপরাধীরা সমাজে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। অপরাধীদের পালাতে সাহায্যকারী তথাকথিত পাতিনেতাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন, অবিলম্বে যেন মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনানুগ কড়া শাস্তি দেওয়া হয় এবং বিতর্কিত এই মাদ্রাসাটির সার্বিক কার্যক্রম চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের পেজ