মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনামঃ
আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রীমঙ্গলের প্রবাসী যুবকের মৃ”ত্যু আলমডাঙ্গায় আইইএস জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাঁচটি রেলপথে যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর দাবি ভারতের উত্তরাখন্ডের জোশীমঠের কাছে হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে ৬ জনেরই মৃত্যু  কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫০.৫৫ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাপ্তাহিক ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ অনুষ্ঠিত দর্শনায় ভাত খাওয়ার সময় গলায় আটকে প্রাণ গেল বৃদ্ধের শাহরুখের জন্মদিন ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা শনিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছাবে পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে *** দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে ***
মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের একের পর এক রায়
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩১ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, দেশটির সুপ্রিম কোর্টের একের পর এক সিদ্ধান্ত ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী প্রচারে অর্থব্যয়ের বিধিনিষেধ নিয়ে আদালতের রায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্তে রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় বেশি সুবিধা পেয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

এবারের নির্বাচনী চক্রে আদালতের ভূমিকা অস্বাভাবিকভাবে বেশি বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এলেনা কাগান। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে রিপাবলিকানদের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করতে ডেমোক্র্যাটদের দুই কক্ষেই নিট চারটি করে আসন বাড়াতে হবে। কংগ্রেসের যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের কর্মসূচি বাধার মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে তাঁর প্রশাসনকে নিয়ে কংগ্রেসীয় তদন্তের সুযোগও বাড়তে পারে।

সুপ্রিম কোর্টে রক্ষণশীল বিচারপতিরা ছয়-তিন অনুপাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এপ্রিল মাসে আদালতের একটি রায় ১৯৬৫ সালের ভোটাধিকার আইনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধানের সুরক্ষা দুর্বল করেছে। জাতিগত বৈষম্য থেকে ভোটারদের সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছিল। এরপর জুনে নির্বাচনী প্রচারে অর্থব্যয়ের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রিপাবলিকানদের অবস্থানকে সুবিধা দিতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

তবে সব সিদ্ধান্তেই রিপাবলিকানরা সুবিধা পাননি। গত মাসে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ সীমিত করার ট্রাম্প-সমর্থিত একটি উদ্যোগ নাকচ করে দেয় আদালত। ডেমোক্র্যাট ভোটারদের মধ্যে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়েও দুই দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। গত বছর ট্রাম্প রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত অঙ্গরাজ্যগুলোকে নতুন করে কংগ্রেসীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের আহ্বান জানান। লক্ষ্য ছিল মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের আসন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করা। টেক্সাস প্রথমে এ উদ্যোগ নেয় এবং পরে সুপ্রিম কোর্ট নতুন নির্বাচনী মানচিত্র কার্যকর রাখার অনুমতি দেন।

সাধারণত প্রতি দশকের শুরুতে জনসংখ্যার পরিবর্তনের ভিত্তিতে নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তবে এবার কয়েকটি অঙ্গরাজ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এতে আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। ভার্জিনিয়ার জর্জ মেসন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক ইলিয়া সোমিনের মতে, সাম্প্রতিক নির্বাচনী মামলাগুলোর রায়ে রিপাবলিকানরা সামগ্রিকভাবে সুবিধা পেয়েছেন। তবে আদালতের এসব সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাটদেরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থানে দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের পেজ