
সুজন চক্রবর্তী, ভারত প্রতিনিধিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু। শনিবার রাতে জলসা দেখতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরল না কিশোরী। সকালে প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে তার ক্ষত বিক্ষত দেহ। গাইঘাটা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কিশোরীর এক আত্মীয়কে প্রাথমিক সন্দেহে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ধৃতের নাম প্রহ্লাদ দাস (২৩)। স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ, ১৭ বছর বয়সি ওই কিশোরী শনিবার রাতে বাড়ির কাছেই আয়োজিত জলসা অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিল। তার বন্ধু বান্ধব, পরিবারের সদস্যরা ও ছিলেন। জলসা অনেক রাত পর্যন্ত চলে। পরিবারের দাবি, রাত সাড়ে ১১টায় কিশোরীর কাছে একটি ফোন এসেছিল। ফোন পেয়ে সে অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যায়। তারপর আর ফেরেনি। রাতে তাকে খুজে না পেয়ে চিন্তায় ছিল পরিবার।
প্রায় সারা রাত খোঁজাখুঁজি চলেছে। সকালে উদ্ধার হয়েছে দেহ। বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, রবিবার সকালে গাইঘাটা থানা এলাকা থেকে কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণ ও খুন হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। কিশোরীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সুপার জানান, ময়নাতদন্তের ভিডিয়োগ্যাফি করা হবে। পাশাপাশি, ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক দলকেও ডাকা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ওই ছাত্রী অভিযুক্তের মাকে কটুক্তি করেছিল। তাই আগে থেকেই কিশোরীর উপর ক্ষোভ ছিল যুবকের।

