ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২,২১৬ টাকা বৃদ্ধি উতরপ্রদেশের যমুনায় নৌকাডুবি! নিখোঁজ ৬ হাউসপুরে রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ আধুনিক ডেইরি ব্যবস্থাপনায় নারী খামারিদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক ‘প্রথম ভালোবাসা নিয়ে ভাইরাল হতে চাই না,’ জানালেন তানজিয়া জামান মিথিলা মেরির মূর্তি অবমাননা বিজেপির জয়ে বিএনপি নেতার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আমাকে নিয়ে কচলায় সবাই: বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান-এর মধ্যে বক্তব্য বিনিময়কে কেন্দ্র করে।

মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পর অধিবেশন শুরু হলে আন্দালিভ রহমান পার্থ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত শিরোনাম তুলে ধরে বিরোধী দলের সমালোচনা করেন। এ সময় তিনি ‘জিয়া পরিবার থেকে মানুষকে মুক্ত করার ঘোষণা’সহ কয়েকটি শিরোনাম পড়ে শোনান, যা বিরোধী দলের নেতার বক্তব্য হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।এ নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা প্রতিবাদ জানালে সংসদে হইচই শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বারবার হস্তক্ষেপ করেন।

উত্তেজনার এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সরস ভঙ্গিতে বলেন, “সবাই আমাকে খুব ভালোবাসে তো! তাই আমাকে নিয়ে কচলায় সবাই।” তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কখনো জিয়া পরিবার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেননি। জবাবে আন্দালিভ রহমান পার্থ ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি নির্দিষ্ট করে বিরোধীদলীয় নেতার নাম উল্লেখ করেননি; বরং বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত বক্তব্য তুলে ধরেছেন। বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পরে শফিকুর রহমান সংসদে বক্তব্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নির্ভুল ও সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে আন্দালিভ রহমান পার্থ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির সমালোচনা করেন এবং কুইক রেন্টাল প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বিচার বিভাগ ও প্রশাসনে দলীয় প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বিএনপির কিছু সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, একজন ঋণখেলাপিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আমাকে নিয়ে কচলায় সবাই: বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০১:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান-এর মধ্যে বক্তব্য বিনিময়কে কেন্দ্র করে।

মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পর অধিবেশন শুরু হলে আন্দালিভ রহমান পার্থ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত শিরোনাম তুলে ধরে বিরোধী দলের সমালোচনা করেন। এ সময় তিনি ‘জিয়া পরিবার থেকে মানুষকে মুক্ত করার ঘোষণা’সহ কয়েকটি শিরোনাম পড়ে শোনান, যা বিরোধী দলের নেতার বক্তব্য হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।এ নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা প্রতিবাদ জানালে সংসদে হইচই শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বারবার হস্তক্ষেপ করেন।

উত্তেজনার এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সরস ভঙ্গিতে বলেন, “সবাই আমাকে খুব ভালোবাসে তো! তাই আমাকে নিয়ে কচলায় সবাই।” তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কখনো জিয়া পরিবার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেননি। জবাবে আন্দালিভ রহমান পার্থ ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি নির্দিষ্ট করে বিরোধীদলীয় নেতার নাম উল্লেখ করেননি; বরং বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত বক্তব্য তুলে ধরেছেন। বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পরে শফিকুর রহমান সংসদে বক্তব্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নির্ভুল ও সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে আন্দালিভ রহমান পার্থ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির সমালোচনা করেন এবং কুইক রেন্টাল প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বিচার বিভাগ ও প্রশাসনে দলীয় প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বিএনপির কিছু সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, একজন ঋণখেলাপিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক।