ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২,২১৬ টাকা বৃদ্ধি উতরপ্রদেশের যমুনায় নৌকাডুবি! নিখোঁজ ৬ হাউসপুরে রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ আধুনিক ডেইরি ব্যবস্থাপনায় নারী খামারিদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক ‘প্রথম ভালোবাসা নিয়ে ভাইরাল হতে চাই না,’ জানালেন তানজিয়া জামান মিথিলা মেরির মূর্তি অবমাননা বিজেপির জয়ে বিএনপি নেতার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আলমডাঙ্গায় বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালন: সচেতনতায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

বশিরুল আলম, আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা):
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে

আলমডাঙ্গায় বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালন: সচেতনতায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“দেশের নেতৃত্ব, জনগণের শক্তিতে আমরাই পারবো যক্ষ্মা নির্মূল করতে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস ২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা।

সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিতে স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান প্রদান করেন, যা জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। র‍্যালি শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা।

এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, যক্ষ্মা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ, তবে সচেতনতার অভাব ও অবহেলার কারণে অনেক সময় এটি মারাত্মক আকার ধারণ করে। সময়মতো পরীক্ষা ও নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে যক্ষ্মা সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া যক্ষ্মা নির্মূল করা সম্ভব নয়। তাই সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে এবং যক্ষ্মা সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে হবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, নার্স, চিকিৎসক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা যক্ষ্মা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং চিকিৎসা সেবাকে আরও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠান শেষে যক্ষ্মা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একদিন যক্ষ্মামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আলমডাঙ্গায় বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালন: সচেতনতায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ১২:৫৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

“দেশের নেতৃত্ব, জনগণের শক্তিতে আমরাই পারবো যক্ষ্মা নির্মূল করতে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস ২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা।

সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিতে স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান প্রদান করেন, যা জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। র‍্যালি শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা।

এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, যক্ষ্মা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ, তবে সচেতনতার অভাব ও অবহেলার কারণে অনেক সময় এটি মারাত্মক আকার ধারণ করে। সময়মতো পরীক্ষা ও নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে যক্ষ্মা সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া যক্ষ্মা নির্মূল করা সম্ভব নয়। তাই সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে এবং যক্ষ্মা সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে হবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, নার্স, চিকিৎসক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা যক্ষ্মা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং চিকিৎসা সেবাকে আরও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠান শেষে যক্ষ্মা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একদিন যক্ষ্মামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।