ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২,২১৬ টাকা বৃদ্ধি উতরপ্রদেশের যমুনায় নৌকাডুবি! নিখোঁজ ৬ হাউসপুরে রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ আধুনিক ডেইরি ব্যবস্থাপনায় নারী খামারিদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক ‘প্রথম ভালোবাসা নিয়ে ভাইরাল হতে চাই না,’ জানালেন তানজিয়া জামান মিথিলা মেরির মূর্তি অবমাননা বিজেপির জয়ে বিএনপি নেতার অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অটিজম নয় রোগ, ভিন্ন সক্ষমতা – সম্মান ও সহানুভূতির আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১১:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

অটিজম নয় রোগ, ভিন্ন সক্ষমতা

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতি বছর ২রা এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সমাজের প্রতিটি মানুষই সম্মান ও ভালোবাসার যোগ্য। অটিজম একটি ভিন্ন স্নায়বিক অবস্থা যা মানুষের চিন্তাভাবনা, যোগাযোগ এবং আচরণকে আলাদা করে। ইসলামে অটিজম আক্রান্ত মানুষদের সম্মানের সাথে দেখা হয়। কারণ আল্লাহ বলেছেন, “আমি আদম সন্তানকে সম্মানিত করেছি…” (সুরা ইসরা, আয়াত ৭০)।

এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে শারীরিক বা মানসিক পার্থক্য কোনো মানুষের সম্মান কমায় না। তাই অটিজম আক্রান্ত শিশুও আল্লাহর সম্মানিত সৃষ্টি। তাদের সাথে অবহেলা বা বৈষম্য করা ইসলামের বিরুদ্ধে। ইসলামে সহানুভূতি ও দয়া গুরুত্বপূর্ণ। রাসুল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা ওই ব্যক্তির ওপর দয়া করেন না, যে মানুষের ওপর দয়া করেন না।” (সহিহ বুখারি, হাদিস ৫৯৯৭)।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/02/ইন্দোনেশিয়ায়-৭-৪-মাত্র/

অটিজম আক্রান্ত মানুষদের সাথে ধৈর্য্য, সহানুভূতি ও ভালোবাসা দেখানো মানবিক দায়িত্ব এবং ইবাদতের একটি রূপ। তাদের বোঝার চেষ্টা করা এবং পাশে দাঁড়ানো ইসলামের সৌন্দর্যকে প্রকাশ করে। রাসুল (সা.) বলেছেন, “তোমরা প্রত্যেকে একজন অভিভাবক এবং প্রত্যেকেই তার অধীনদের ব্যাপারে জবাবদিহি করবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৪২৯)।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/01/তেলের-জন্য-রাতভর-অপেক্ষা/

যদি আপনার সন্তান বা আত্মীয় অটিজমে আক্রান্ত হয়, তাহলে তাদের যত্ন নেওয়া, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন দেওয়া আপনার দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং সম্পদ ও জীবনের ক্ষতি দ্বারা পরীক্ষা করব; আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।” (সুরা বাকারা, আয়াত ১৫৫)। অটিজম আক্রান্ত সন্তান অনেক সময় পরিবারের জন্য চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। তবে ইসলাম এটিকে পরীক্ষা এবং সওয়াবের সুযোগ হিসেবে দেখে। ধৈর্য্য, ভালোবাসা এবং চেষ্টার বিনিময়ে আল্লাহ বিশেষ প্রতিদান দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অটিজম নয় রোগ, ভিন্ন সক্ষমতা – সম্মান ও সহানুভূতির আহ্বান

আপডেট সময় : ১১:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

প্রতি বছর ২রা এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সমাজের প্রতিটি মানুষই সম্মান ও ভালোবাসার যোগ্য। অটিজম একটি ভিন্ন স্নায়বিক অবস্থা যা মানুষের চিন্তাভাবনা, যোগাযোগ এবং আচরণকে আলাদা করে। ইসলামে অটিজম আক্রান্ত মানুষদের সম্মানের সাথে দেখা হয়। কারণ আল্লাহ বলেছেন, “আমি আদম সন্তানকে সম্মানিত করেছি…” (সুরা ইসরা, আয়াত ৭০)।

এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে শারীরিক বা মানসিক পার্থক্য কোনো মানুষের সম্মান কমায় না। তাই অটিজম আক্রান্ত শিশুও আল্লাহর সম্মানিত সৃষ্টি। তাদের সাথে অবহেলা বা বৈষম্য করা ইসলামের বিরুদ্ধে। ইসলামে সহানুভূতি ও দয়া গুরুত্বপূর্ণ। রাসুল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা ওই ব্যক্তির ওপর দয়া করেন না, যে মানুষের ওপর দয়া করেন না।” (সহিহ বুখারি, হাদিস ৫৯৯৭)।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/02/ইন্দোনেশিয়ায়-৭-৪-মাত্র/

অটিজম আক্রান্ত মানুষদের সাথে ধৈর্য্য, সহানুভূতি ও ভালোবাসা দেখানো মানবিক দায়িত্ব এবং ইবাদতের একটি রূপ। তাদের বোঝার চেষ্টা করা এবং পাশে দাঁড়ানো ইসলামের সৌন্দর্যকে প্রকাশ করে। রাসুল (সা.) বলেছেন, “তোমরা প্রত্যেকে একজন অভিভাবক এবং প্রত্যেকেই তার অধীনদের ব্যাপারে জবাবদিহি করবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৪২৯)।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/01/তেলের-জন্য-রাতভর-অপেক্ষা/

যদি আপনার সন্তান বা আত্মীয় অটিজমে আক্রান্ত হয়, তাহলে তাদের যত্ন নেওয়া, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন দেওয়া আপনার দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং সম্পদ ও জীবনের ক্ষতি দ্বারা পরীক্ষা করব; আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।” (সুরা বাকারা, আয়াত ১৫৫)। অটিজম আক্রান্ত সন্তান অনেক সময় পরিবারের জন্য চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। তবে ইসলাম এটিকে পরীক্ষা এবং সওয়াবের সুযোগ হিসেবে দেখে। ধৈর্য্য, ভালোবাসা এবং চেষ্টার বিনিময়ে আল্লাহ বিশেষ প্রতিদান দেন।