রাজনীতির মুখোশে প্রেমের নাটক: কুলিয়ায় বিএনপি নেতা তুহিনের ‘গোপন অধ্যায়’ ফাঁস
- আপডেট সময় : ০৭:০৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার ১নং কুলিয়া ইউনিয়নে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে জনমনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন হোসেন (পিতা: মৃত মকছেদ আলী, গ্রাম: পুষ্পকাটি) দীর্ঘদিন ধরে এক কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রীর (ছদ্মনাম: জবা) সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সম্প্রতি তাদের একাধিক ঘনিষ্ঠ ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পেলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং তা মুহূর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/11/সৈয়দপুরে-অসুস্থ-ত্রাণমন/
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তুহিন হোসেনের এমন কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে নৈতিক অবক্ষয়ের চরম উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে একজন রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তির এমন আচরণে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল। এদিকে, ওই প্রবাসীর পরিবারেও এ ঘটনায় অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা হলেও এখনো কোনো সুরাহা হয়নি বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, “একজন রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন আচরণ কেউ প্রত্যাশা করে না। এতে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তরুণ প্রজন্ম ভুল বার্তা পাচ্ছে।” তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত তুহিন হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি। অপর আরেকটা প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ছবিতে থাকা মেয়েটির স্বামী জানান, আমি একজন কুয়েত প্রবাসী। আমার স্ত্রী সরলতার সুযোগ নিয়ে তুহিনের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আমার দুইটা বাচ্চা আছে। আমি এখন নিরুপায় হয়ে পথে পথে ঘুরছি। এই লম্পট, নারী খাদক বিএনপি নেতা তুহিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/11/গণভোটের-রায়-বাস্তবায়নে/
দেবহাটা উপজেলার ০১নং কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইমাদুল হক শামীম বলেন, এইসব দুষ্কৃতিকারী অপরাধীদের কোন অবস্থাতে দলে জায়গা হবেনা। আমি এই ঘটনাকে ঘৃণা ভরে দেখি। সেই সাথে অপরাধ করে কেউ পার পেয়ে যাক আমি সেটা কখনো হতে দেব না। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু বলেন, আসলে আপনি যে ঘটনাটা বলছেন এটা আমি কিছুদিন আগে শুনেছি। খুব লজ্জাজনক ব্যাপার। আমি চাই না এই সমস্ত লোক, যারা বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করুক। অতি দ্রুত আমরা সাংগঠনিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ বিষয়ে দলীয় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না! এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে। সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।






















