
শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি দিয়ে মোছার চেষ্টার ঘটনায় করা মামলায় ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াশ ও মারজিয়া খন্দকার রিমির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান এ আদেশ দেন। এদিন আল নূর মোহাম্মদ আয়াশ ও মারজিয়া খন্দকার রিমিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে মামলার তদন্তের স্বার্থে আয়াশকে তিন দিন এবং রিমিকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গাফফার হিমেল তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলাটিতে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিদ্বেষ ছড়ানো এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে বিচারিক সিদ্ধান্ত আসবে। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শাহ আলম আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, একই মামলায় এর আগে সাকিবুল হাসান ও সুজন শেখ নামে আরও দুই আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। গত রোববার আদালত সাকিবুল হাসানের তিন দিন এবং সুজন শেখের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মোছার চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দায়ের করা এ মামলায় তদন্ত কার্যক্রম চলছে। মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

