
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ চলে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় অন্তত ২০টি বাড়ি ও পাঁচটি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল ইসলাম ওরফে রেজা ডাকাতি ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দীর্ঘদিন এলাকাছাড়া ছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি ও তাঁর সমর্থকেরা এলাকায় ফিরে আসেন। এরপর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মকলেছ হোসেনের পক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ তৈরি হয়।
এরই জেরে সোমবার সন্ধ্যায় কাশিপুর ক্লাব মোড় এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, রেজাউল ইসলামের সমর্থকেরা মকলেছ পক্ষের মাসুদুর ও মনিরুলসহ কয়েকজনকে মারধর করেন। এ সময় ক্লাব মোড়ের কয়েকটি দোকানেও ভাঙচুর চালানো হয়। পরে স্থানীয়রা আহত মাসুদুর ও মনিরুলকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। মনিরুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাতেই যশোরে পাঠানো হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে কাশিপুর গ্রামের স্থানীয় লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালান। এতে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। পাশাপাশি দুই পক্ষের অন্তত ২০টি বাড়ি ও পাঁচটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

