শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনামঃ
৮৩ বছর বয়সে শুটিংয়ে দুর্ঘটনার শিকার অমিতাভ বচ্চন শাহজাদপুর মহাশ্মশানে হোমযজ্ঞের মধ্য দিয়ে দত্তক গ্রহণ কথিত সীমানা পিলার ও প্রাচীন কয়েনের ফাঁদে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৪ দর্শনায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত সলঙ্গায় আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন এমপি মিষ্টি মিষ্টির পদত্যাগের পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা ও পুনর্নির্মাণের দাবি শফিকুর রহমানের কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোর তৈল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন, মৃত ১ সিরাতুন নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অতিরিক্ত টাকা দাবি ও ইন্টার্নি সনদ না পাওয়ার অভিযোগ মাগুরার আয়ুর্বেদিক কলেজে
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে *** দৈনিক আমাদের পত্রিকায় : সারাদেশে জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি মালিটমিডিয়া ও প্রিন্ট এর জন্য নিয়োগ চলছে ***
দক্ষিণ শরুশুনা দাখিল মাদরাসায় নিয়োগ ও সনদ নিয়ে নানা অভিযোগ
/ ৪৬ বার
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ন

মাগুরার শালিখা উপজেলার দক্ষিণ শরুশুনা দাখিল মাদরাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়া, শিক্ষাগত সনদ, যোগদানের তারিখ এবং বিভিন্ন নথিপত্র নিয়ে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সম্প্রতি জুয়েল হোসেন নামে এক ব্যক্তির অফিস সহকারী পদে নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগকারীদের দাবি, মাদরাসাটির কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী পরবর্তী সময়ে চাকরিতে যোগ দিলেও তাঁদের নথিপত্রে অনেক আগের তারিখে যোগদান দেখানো হয়েছে। কারও কারও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নিয়েও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সহকারী মৌলভী আফরোজা খাতুন ২০১৬ সালে শিক্ষকতা শুরু করলেও নথিতে তাঁর যোগদানের তারিখ ৭ মে ২০০০ দেখানো হয়েছে। একইভাবে মুরাদ আলী ২০১৬ সালে শিক্ষকতা শুরু করলেও তাঁর যোগদানের তারিখ দেখানো হয়েছে ২০০৪ সালের ৪ ডিসেম্বর।

সহকারী মৌলভী কামাল হোসেনের যোগদানের তারিখ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ২০১৪ সালে শিক্ষকতা শুরু করলেও নথিতে ২০০৫ সালের ২০ মার্চ যোগদান দেখানো হয়েছে। সহকারী শিক্ষক আবু আওয়ালের ক্ষেত্রেও ২০১৯ সালে শিক্ষকতা শুরু করে ২০০০ সাল থেকে যোগদান দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

এ ছাড়া কৃষি ও কম্পিউটার বিষয়ের কয়েকজন শিক্ষকের সনদ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। মাদরাসার রেজুলেশন ও হাজিরা খাতা পরিবর্তন এবং কয়েকজন কর্মচারীর নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগও করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে সম্প্রতি শরুশুনা গ্রামের জুয়েল হোসেনকে অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মাদরাসার সুপার মো. আলী হাসান জানিয়েছেন, গত ১৬ নভেম্বর মাদরাসা অধিদপ্তরের ডিজির প্রতিনিধি মো. আবুল বাশারের মাধ্যমে শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষায় জুয়েল প্রথম হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে মাদরাসার সুপার বিস্তারিত বক্তব্য না দিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

শালিখা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী শফিউল আলম জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। মাদরাসার সুপারের সঙ্গে আলোচনা করে কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছে।

শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিনা মমতাজ জানান, ডিজির প্রতিনিধির মাধ্যমে জুয়েলের নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছে এবং তিনি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন। মাদরাসার অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে নিয়োগ, যোগদানের তারিখ ও সনদসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি এখন সামনে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, মাদরাসার সব নথিপত্র যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের পেজ