
বিমানে চড়েও গন্তব্যে যাওয়ার নিশ্চয়তা নেই! উড়োজাহাজে ওঠার পর ককপিটে কাজ চলতে দেখে বিপত্তির আশঙ্কা, এরপর যাত্রীদের আবার নামিয়ে দেওয়া—এমন অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে ক্ষোভ ও রসিকতা মিশিয়ে পোস্ট দিয়েছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার সেবার মান নিয়ে তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
নিজের ভোগান্তির ঘটনা তুলে ধরে ইরফান সাজ্জাদ লেখেন, ‘প্লেনে ওঠার পর দেখতে পেলাম ককপিটে কাজ চলছে, বুঝলাম ঘটনা খারাপ!! এরপর তারা আবার প্লেন থেকে নামিয়ে দিল! এ প্লেন কবে উড়বে তারাও জানে না, আমরাও জানি না!! এই হলো আমাদের এয়ারপোর্টের লোকাল বাস!’
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে এই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অভিনেতা রসিকতার ছলে রাষ্ট্রীয় এই বিমান সংস্থাকে ‘বেইমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’ বলেও আখ্যা দেন।
ইরফান সাজ্জাদের এই পোস্টের পর মন্তব্যের ঘরে নিজেদের মতামত তুলে ধরেছেন ভক্ত ও নেটিজেনরা। অনেকেই তাঁর অভিজ্ঞতার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে দেশের বিমানসেবার মান, ফ্লাইট পরিচালনায় অনিশ্চয়তা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন।
যাত্রীদের কাছে বিমানভ্রমণ মানে সময় বাঁচানো, স্বাচ্ছন্দ্য ও নির্ভরযোগ্য সেবা পাওয়ার প্রত্যাশা। কিন্তু উড্ডয়নের আগে উড়োজাহাজে কারিগরি কাজ, ফ্লাইট ছাড়তে বিলম্ব কিংবা যাত্রীদের বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ফ্লাইট কখন ছাড়বে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য না পেলে ভোগান্তি আরও বাড়ে।
তবে ইরফান সাজ্জাদের পোস্টে উঠে আসা ঘটনার বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উড়োজাহাজটির কারিগরি সমস্যা, বিলম্বের কারণ কিংবা ফ্লাইটের পরবর্তী সময়সূচি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেতার এই কটাক্ষ আবারও সামনে এনেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিমানসেবায় সময়ানুবর্তিতা, স্বচ্ছ তথ্য প্রদান ও ভোগান্তি কমাতে কতটা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?

