
রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির নেতারা। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং উৎসবের পরিবেশ নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ কলাবাগান ও ফার্মগেট এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিএনপির নেতারা।
এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সারাদেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের সার্বিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হওয়ায় সভায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
সভা থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো, পূজা উদযাপনে সহযোগিতা জোরদার করা এবং পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করায় ধন্যবাদ জানানো হয়। বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল পরিদর্শনকালে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও দলটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন এমপি। তিনি বলেন, বিএনপির নীতি হলো ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার’। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য রাজনৈতিক দল সামাজিক সংগঠন পূজা উদযাপন কমিটি প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
কমিটির সদস্য সচিব ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সামাজিক ঐক্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্ধন। এ সম্প্রীতি ও ঐক্য অটুট রেখে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, যুবদল নেতা পার্থ মণ্ডল, চারুকলা অনুষদের শিক্ষক সঞ্জয় দে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসসহ পূজা উদযাপন কমিটি ও জগন্নাথ হলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

