চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান
- আপডেট সময় : ০৫:০২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বড় বাজার এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিমূলক অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখবিহীন দই বিক্রি এবং নোংরা ও নষ্ট মিষ্টি সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে আইনটির ৩৭ ধারায় কার্তিক চন্দ্র বসুর প্রতিষ্ঠান বসু সুইটসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/12/শরীয়তপুরে-জমে-উঠেছে-ঈদে/
এছাড়া নিষিদ্ধ কসমেটিকস বিক্রির অপরাধে একই আইনের ৪৫ ধারায় টিনা দেবীর প্রতিষ্ঠান পলক গিফট কর্ণারকে ২৫ হাজার টাকা, মো. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর প্রতিষ্ঠান মেসার্স সওদাগর গিফট গার্ডেনকে ২৫ হাজার টাকা, মো. দেলোয়ার হোসেনের প্রতিষ্ঠান মা রোকেয়া ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা এবং মোছা. মাহফুজা খাতুনের প্রতিষ্ঠান মামুন গিফট কর্ণারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/12/বন্ধুত্বের-রঙে-রঙিন-নৌকা/
অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত অনিয়ম সংশোধন করে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। এদিকে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বড় বাজার এলাকার বিভিন্ন হোটেল, পাইকারি ভোজ্য তেল ও মসলার দোকানেও তদারকি করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের মানসম্মত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা মানহীন পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান অভিযানটি পরিচালনা করেন। এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি টিম। সংশ্লিষ্টরা জানান, ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ ও বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




















