ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
প্রায় এক দশক পর চীন সফরে ট্রাম্প কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ, ঢাকায় প্রতি বর্গফুট ৬২–৬৭ টাকা তৃণমূলকে সক্রিয় করতে মাঠে ফিরছে বিএনপি, লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু এনসিপি নেতা সারজিস আলমকে নিয়ে সাবেক নেত্রীর কঠোর মন্তব্য সংসদের সফলতা নির্ভর করবে কার্যকারিতার ওপর: মঈন খান শ্বাশুরির পরকীয়া ফাস করায় গৃহবধূকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখে, স্বামী-শ্বাশুরি বাড়ি ছেড়ে উধাও রাজশাহীতে জম্বি মাদক আতঙ্ক বোদা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এনসিপির প্রার্থী তালিকায় শিশির আসাদ দর্শনায় যুবদলের নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, থানায় মামলা চুয়াডাঙ্গা জেলা জিয়া মঞ্চের অর্থ সম্পাদক হলেন ইকরামুল হক সোহাগ

মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার জেল-জুলুম ও দাদন ব্যবসার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

বাবুলাল মার্ডি, ​মিঠাপুকুর, রংপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরের মিঠাপুকুরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং অবৈধ দাদন ব্যবসার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীদের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেলিম সরকার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি বালুয়া বাজারে ‘মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ’ এবং ‘সাফল্য এন্টারপ্রাইজ’ নামে দুটি অনিবন্ধিত ভূয়া এনজিও খুলে বসেন। এর মাধ্যমে তিনি সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অগ্রিম ব্ল্যাঙ্ক চেক এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প নিতেন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/12/পলাশ-উপজেলা-স্বাস্থ্য-কম-2/

পরবর্তীতে তিনি ঋণের আসল টাকা পরিশোধ করার পরও চড়া সুদ দাবি করতেন এবং চেক-স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে আদালতে মিথ্যা মামলা দিতেন। রাজু আহম্মেদ নামে এক ভুক্তভোগী জানান, তিনি ১ লাখ ৫০০০০ ঋণ নিয়ে সঞ্চয়সহ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা শোধ করেছেন। কিন্তু সেলিম চৌধুরী তার স্বাক্ষর করা চেকে ইচ্ছামতো অংক বসিয়ে আদালতে ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকার মামলা দায়ের করেন। আরেক ভুক্তভোগী মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, দোকান পুড়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়াতে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দৈনিক কিস্তিতপ ঋণ নিয়েছিলেন। ৭৩ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও অবশিষ্ট টাকার জন্য তার নামে ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/12/গাছে-বেঁধে-নির্যাতনের-অভ/

ভূক্তভোগীরা আরো অভিযোগ করে বলেন, সেলিম সরকারের ইন্ধনে বর্তমানে তারা একাধিক মিথ্যা মামলার ঘানি টানছেন এবং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম চৌধুরী বলেন, আমি তাদের টাকা হাওলাত দিয়েছি। তবে এনজিও খুলে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার জেল-জুলুম ও দাদন ব্যবসার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

রংপুরের মিঠাপুকুরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং অবৈধ দাদন ব্যবসার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীদের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেলিম সরকার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি বালুয়া বাজারে ‘মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ’ এবং ‘সাফল্য এন্টারপ্রাইজ’ নামে দুটি অনিবন্ধিত ভূয়া এনজিও খুলে বসেন। এর মাধ্যমে তিনি সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অগ্রিম ব্ল্যাঙ্ক চেক এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প নিতেন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/12/পলাশ-উপজেলা-স্বাস্থ্য-কম-2/

পরবর্তীতে তিনি ঋণের আসল টাকা পরিশোধ করার পরও চড়া সুদ দাবি করতেন এবং চেক-স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে আদালতে মিথ্যা মামলা দিতেন। রাজু আহম্মেদ নামে এক ভুক্তভোগী জানান, তিনি ১ লাখ ৫০০০০ ঋণ নিয়ে সঞ্চয়সহ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা শোধ করেছেন। কিন্তু সেলিম চৌধুরী তার স্বাক্ষর করা চেকে ইচ্ছামতো অংক বসিয়ে আদালতে ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকার মামলা দায়ের করেন। আরেক ভুক্তভোগী মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, দোকান পুড়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়াতে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দৈনিক কিস্তিতপ ঋণ নিয়েছিলেন। ৭৩ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও অবশিষ্ট টাকার জন্য তার নামে ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/12/গাছে-বেঁধে-নির্যাতনের-অভ/

ভূক্তভোগীরা আরো অভিযোগ করে বলেন, সেলিম সরকারের ইন্ধনে বর্তমানে তারা একাধিক মিথ্যা মামলার ঘানি টানছেন এবং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম চৌধুরী বলেন, আমি তাদের টাকা হাওলাত দিয়েছি। তবে এনজিও খুলে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।