ঈদকে ঘিরে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি
- আপডেট সময় : ১১:০১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলায় শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঈদকে ঘিরে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় কোরবানির পশুর হাটগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
গতকাল জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় ঈদুল আজহাকে ঘিরে জেলার সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, চামড়া সংরক্ষণ ও বর্জ্য অপসারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় ঈদুল আজহার কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পাঠ করে শোনান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/14/চুয়াডাঙ্গায়-মহিলা-আইনজ/
সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জেলার সকল ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আর জেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ চাঁদমারি মাঠে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে গরুর হাটগুলোতে অজ্ঞান পার্টি ও জাল নোট চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে। তিনি পশুর হাটগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিয়মিত মাইকিং এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, “কোরবানির দিন মাগরিবের আগেই সব বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে। কোথাও যেন রক্ত, হাড় বা কোরবানির উচ্ছিষ্ট পড়ে থেকে দুর্গন্ধ সৃষ্টি না হয়।” এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানান, কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরিমানাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/14/দামুড়হুদায়-মোটরসাইকেল/
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বি. এম. তারিক উজ জামান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহাবুদ্দিন এবং নাজমুল হক স্বপনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ঈদগাহ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের এমন সমন্বিত প্রস্তুতি সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



















