২৫ বছর পর ২০০১ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা: ‘হরিপুর ফাউন্ডেশন ০১’-এর শুভ আত্মপ্রকাশ, সভাপতি রনি – সম্পাদক ইউসুফ
- আপডেট সময় : ০৯:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
সুদীর্ঘ ২৫টি বছর পর আবারও এক সুতোয় বাঁধলো কৈশোরের হারানো দিনগুলো। ২০০১ সালে যারা কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুরের স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে এসএসসি পাস করে জীবনের নানামুখী স্রোতে ছড়িয়ে পড়েছিলেন, দীর্ঘ দুই যুগ পর আবারও তারা মেতে উঠলেন প্রাণের আড্ডায়।
গত ২৭ যে ২০২৫ (চাঁদ রাত) কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুরের বোয়ালদহস্থ বেঙ্গল টাওয়ারে ২ জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো এসএসসি ২০০১ ব্যাচের বন্ধুদের রজতজয়ন্তী (২৫ বছর পূর্তি) উৎসব ও গেট টুগেদার। একই সাথে আর্তমানবতার সেবা এবং বন্ধুদের পারস্পরিক সহযোগিতার প্রত্যয় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করল সেবামূলক সামাজিক সংগঠন “হরিপুর ফাউন্ডেশন ০১”। অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দমুখর এই অনুষ্ঠানটির চমৎকার ও সফল উপস্থাপনা ও সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী ও উদ্যোক্তা মোঃ জাকারিয়া ইসলাম মিতুল। অনুষ্ঠানটির শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বন্ধু ফিরোজ। এরপর দীর্ঘ ২৫ বছরের স্মৃতিচারণ, বর্তমান ব্যস্ততা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বন্ধুদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ফাইজুস সালেহিন জাহিদ ও শাহিন উদ্দিন রনি।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/25/পবিত্র-ঈদুল-আজহার-শুভেচ্-3/
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সকলের সর্বসম্মতিক্রমে সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ ও সংগঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। এতে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ‘বেঙ্গল হার্ডওয়্যার’-এর স্বত্বাধিকারী জনাব রনি-কে সভাপতি এবং ‘আমাদের পত্রিকা’-এর সম্পাদক জনাব ইউসুফ-কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে “হরিপুর ফাউন্ডেশন ০১”-এর কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংগঠনের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ জানান, এই ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ব্যাচের কোনো বন্ধু যদি কখনো আর্থিক বা মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়ে, তবে সবার আগে তার পাশে এসে দাঁড়ানো। এর পাশাপাশি কুষ্টিয়া ও হরিপুর এলাকার আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন কল্যাণমুখী ইভেন্ট পরিচালনা করা হবে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/27/সৌদি-আরবের-সঙ্গে-মিল-রেখে/
দীর্ঘ ২৫ বছর পর দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা ব্যাচের ৫৫ জন বন্ধু একসাথে মিলিত হয়ে মেতে ওঠেন পুরোনো দিনের আড্ডায়। অনুষ্ঠান শেষে সকলের জন্য ছিল ভরপুর মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন। শুধু তাই নয়, উৎসবে সশরীরে উপস্থিত হতে না পারা পরিবারের সদস্যদের জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় ফুড পার্সেল উপহার দেওয়ার এক ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়। পুরোনো বন্ধুদের এমন মিলনমেলা এবং সমাজসেবার এই অনন্য উদ্যোগকে এলাকার সুধী সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছেন।




















