ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের এলাকা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পেনাল্টি মিস করেও ইতিহাস গড়লেন মেসি চোরাই পথে সার পাচারকালে আটক, মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন, ঝলসে মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের  বকেয়া বিদ্যুৎবিল পরিশোধের পর চালু হলো বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ছাত্রলীগের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার কুলাউড়ায় যানজট, মাদক ও অপরাধ দমনে নেওয়া হলো কঠোর সিদ্ধান্ত তাড়াশে কোচিং সেন্টারের আড়ালে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন-নিপিড়নের অভিযোগ

আলমডাঙ্গা পৌর শহরে যত্রতত্র গরুর বিচরণ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

বশিরুল আলম, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গাঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আলমডাঙ্গা পৌর শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলো যেন এখন গরুর অবাধ বিচরণভূমিতে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের প্রধান প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও অলিগলিতে গরুর পাল ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এতে প্রতিদিনই দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, যানবাহন চালক ও ব্যবসায়ীরা। ছোটখাটো দুর্ঘটনা এখন যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার পক্ষ থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রভাবশালী গরুর মালিকদের কারণে কার্যকর ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। ফলে দিন দিন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে শতাধিক গরু অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে ধারণা করছেন বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/09/মাদারীপুরে-হত্যা-মামলার/

বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। রাস্তা পারাপারের সময় হঠাৎ গরুর পাল সামনে চলে আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে শিশুরা। অনেক অভিভাবক সন্তানদের একা বাইরে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও পাখিভ্যান চালকরাও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করছেন।

শহরের ব্যবসায়ীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বাজার এলাকার কয়েকজন দোকানদার জানান, রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো গরু প্রায়ই দোকানের সামনে রাখা ফলমূল, সবজি ও কলা খেয়ে নষ্ট করে ফেলে। এতে প্রতিনিয়ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন সকালে গরুর মালিকরা গোয়ালঘর থেকে গরু ছেড়ে দেন। এরপর সারাদিন সড়ক ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর পর রাত গভীর হলে আবার সেগুলো বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক সময় গরুর পাল রাস্তার মাঝখানে বা পাশে শুয়ে থাকে, যা যান চলাচলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/09/আলমডাঙ্গায়-অবৈধ-মাটি-বা/

পথচারীরা বলছেন, অনেক মানুষ বিশেষ করে শিশু ও নারীরা গরুকে ভয় পান। ফলে রাস্তায় চলাচলের সময় তারা মানসিক অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এমন পরিস্থিতি জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।

সুধীজনদের মতে, সমস্যাটি সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর হতে হবে। নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে গরুর মালিকদের সতর্ক করা, ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা, জরিমানা আরোপ এবং প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ কার্যকর করা হলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। জনস্বার্থে আলমডাঙ্গা পৌর কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আলমডাঙ্গা পৌর শহরে যত্রতত্র গরুর বিচরণ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ১২:৫১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

আলমডাঙ্গা পৌর শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলো যেন এখন গরুর অবাধ বিচরণভূমিতে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের প্রধান প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও অলিগলিতে গরুর পাল ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এতে প্রতিদিনই দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, যানবাহন চালক ও ব্যবসায়ীরা। ছোটখাটো দুর্ঘটনা এখন যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার পক্ষ থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রভাবশালী গরুর মালিকদের কারণে কার্যকর ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। ফলে দিন দিন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে শতাধিক গরু অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে ধারণা করছেন বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/09/মাদারীপুরে-হত্যা-মামলার/

বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। রাস্তা পারাপারের সময় হঠাৎ গরুর পাল সামনে চলে আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে শিশুরা। অনেক অভিভাবক সন্তানদের একা বাইরে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও পাখিভ্যান চালকরাও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করছেন।

শহরের ব্যবসায়ীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বাজার এলাকার কয়েকজন দোকানদার জানান, রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো গরু প্রায়ই দোকানের সামনে রাখা ফলমূল, সবজি ও কলা খেয়ে নষ্ট করে ফেলে। এতে প্রতিনিয়ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন সকালে গরুর মালিকরা গোয়ালঘর থেকে গরু ছেড়ে দেন। এরপর সারাদিন সড়ক ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর পর রাত গভীর হলে আবার সেগুলো বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক সময় গরুর পাল রাস্তার মাঝখানে বা পাশে শুয়ে থাকে, যা যান চলাচলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/09/আলমডাঙ্গায়-অবৈধ-মাটি-বা/

পথচারীরা বলছেন, অনেক মানুষ বিশেষ করে শিশু ও নারীরা গরুকে ভয় পান। ফলে রাস্তায় চলাচলের সময় তারা মানসিক অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এমন পরিস্থিতি জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।

সুধীজনদের মতে, সমস্যাটি সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর হতে হবে। নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে গরুর মালিকদের সতর্ক করা, ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা, জরিমানা আরোপ এবং প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ কার্যকর করা হলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। জনস্বার্থে আলমডাঙ্গা পৌর কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।