চুয়াডাঙ্গায় “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং” কর্মসূচির উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ১২:২৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণামুখী মনোভাব এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত হয়েছে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing” কর্মসূচি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম(এসইডিপি)-এর আওতাভুক্ত Educational Excellence Support Scheme (EESS) এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গার মান্যবর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, বরং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয়ে বাস্তব সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/14/নীলফামারী-জেলা-পুলিশে-যু/
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প, বৈজ্ঞানিক গবেষণাভিত্তিক মডেল এবং নতুন ব্যবসায়িক ধারণা উপস্থাপন করেন। প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছিল প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন, কৃষি ও স্বাস্থ্যখাতে নতুন ধারণা এবং সামাজিক সমস্যা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং গবেষণামুখী শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
আয়োজকরা জানান, “Educational Excellence Support Scheme (EESS)” এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, উদ্ভাবনী দক্ষতা এবং নেতৃত্বগুণ বিকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/14/চুয়াডাঙ্গার-প্রথম-বিজিব/
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রকল্পসমূহ পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ এবং তাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা ও গবেষণামুখী কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নতুন প্রজন্মকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করবে।






















