চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ১২:৪০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গা জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চলমান মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ জুন) রাত ১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জেলার সদর, জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান (৪০), যুবলীগ নেতা রুহুল আমিন আশিক (২৯), বাঁকা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তুহিন (২৫), যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন (৩৬), মন্টু (৪৫), ফরজ আলী (৩৬) এবং মমরেজ হোসেন (২৫)।
পুলিশ সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খানের নির্দেশনায় জেলার তিন থানার একাধিক টিম সমন্বিতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান, দামুড়হুদা থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন এবং জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।
জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিচারিক কার্যক্রমকে সহায়তা করতেই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আইনের ঊর্ধ্বে নয়—এই নীতিকে সামনে রেখে অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এদিকে জেলার বিভিন্ন মহলে অভিযানটি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা আদালতে পাঠানো হয়েছে।চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং চলমান মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।



















