ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের এলাকা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পেনাল্টি মিস করেও ইতিহাস গড়লেন মেসি চোরাই পথে সার পাচারকালে আটক, মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন, ঝলসে মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের  বকেয়া বিদ্যুৎবিল পরিশোধের পর চালু হলো বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ছাত্রলীগের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার কুলাউড়ায় যানজট, মাদক ও অপরাধ দমনে নেওয়া হলো কঠোর সিদ্ধান্ত তাড়াশে কোচিং সেন্টারের আড়ালে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন-নিপিড়নের অভিযোগ

জ্বালানি সংকটে সিএনজির চেয়ে এলপিজিতে ঝুঁকছেন গাড়ির মালিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ৮২ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি সংকটে সিএনজির চেয়ে এলপিজিতে ঝুঁকছেন গাড়ির মালিকরা

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে জ্বালানি তেলের সংকট মেটাতে গাড়ির মালিকরা সিএনজি ও এলপিজি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। আমদানিকৃত জ্বালানির বিপরীতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে গাড়ি পরিচালনার খরচ প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ কমে আসে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের বিচারে সিএনজির চেয়ে এলপিজি গ্রাহকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/01/তেলের-জন্য-রাতভর-অপেক্ষা/

বক্তারা বলেন, একসময় সিএনজি জনপ্রিয় হলেও এখন ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ এলপিজি বেছে নিচ্ছেন। এর কারণ ইঞ্জিনের সুরক্ষা। সিএনজির তুলনায় এলপিজিতে ইঞ্জিনের ক্ষতি কম হয়, সিলিন্ডারের ওজন হালকা এবং গাড়ি চালানোর অনুভূতি প্রায় অকটেনের মতোই আরামদায়ক। এছাড়াও সিএনজি স্টেশনে লাইনের ঝামেলা নেই এবং দেশজুড়ে এলপিজি স্টেশনের সহজলভ্যতা এই চাহিদাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে ১ লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা হলেও সমপরিমাণ এলপিজি পাওয়া যায় মাত্র ৬২ টাকায়। সাউদার্ন অটোমোবাইলসের তথ্য মতে, অকটেনের তুলনায় সিএনজিতে খরচ ৭০ শতাংশ এবং এলপিজিতে প্রায় ৪০ শতাংশ সাশ্রয় হয়। দীর্ঘমেয়াদে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকলেও যারা প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গাড়ি চালান, তাদের জন্য এই রূপান্তর পদ্ধতি লাভজনক।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/01/রবিবার-থেকে-শুরু-হামের-বি/

রাজধানীর তেজগাঁও ও আশেপাশের মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ, এইচএনএস অটো সলিউশন এবং সাউদার্ন অটোমোবাইলসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো রূপান্তর সেবা দিচ্ছে। এলপিজি রূপান্তর খরচ ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সিএনজি রূপান্তর খরচ ৭০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএলের মাধ্যমে ২৯ হাজার থেকে ৬৯ হাজার টাকায় এই সেবা পাওয়া সম্ভব।

এইচএনএস অটো সলিউশনের অপারেশন ম্যানেজার দীপক কুমার সরকার বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ গাড়ি টয়োটা ব্র্যান্ডের, যা এলপিজি ও সিএনজি উভয় মাধ্যমেই সহজে রূপান্তরযোগ্য। তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অনেক ছোট-বড় রূপান্তর সেন্টার গড়ে উঠলেও নিরাপত্তার স্বার্থে মানহীন সিলিন্ডার এড়িয়ে ব্র্যান্ডের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জ্বালানি সংকটে সিএনজির চেয়ে এলপিজিতে ঝুঁকছেন গাড়ির মালিকরা

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের সংকট মেটাতে গাড়ির মালিকরা সিএনজি ও এলপিজি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। আমদানিকৃত জ্বালানির বিপরীতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে গাড়ি পরিচালনার খরচ প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ কমে আসে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের বিচারে সিএনজির চেয়ে এলপিজি গ্রাহকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/01/তেলের-জন্য-রাতভর-অপেক্ষা/

বক্তারা বলেন, একসময় সিএনজি জনপ্রিয় হলেও এখন ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ এলপিজি বেছে নিচ্ছেন। এর কারণ ইঞ্জিনের সুরক্ষা। সিএনজির তুলনায় এলপিজিতে ইঞ্জিনের ক্ষতি কম হয়, সিলিন্ডারের ওজন হালকা এবং গাড়ি চালানোর অনুভূতি প্রায় অকটেনের মতোই আরামদায়ক। এছাড়াও সিএনজি স্টেশনে লাইনের ঝামেলা নেই এবং দেশজুড়ে এলপিজি স্টেশনের সহজলভ্যতা এই চাহিদাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে ১ লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা হলেও সমপরিমাণ এলপিজি পাওয়া যায় মাত্র ৬২ টাকায়। সাউদার্ন অটোমোবাইলসের তথ্য মতে, অকটেনের তুলনায় সিএনজিতে খরচ ৭০ শতাংশ এবং এলপিজিতে প্রায় ৪০ শতাংশ সাশ্রয় হয়। দীর্ঘমেয়াদে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকলেও যারা প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গাড়ি চালান, তাদের জন্য এই রূপান্তর পদ্ধতি লাভজনক।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/01/রবিবার-থেকে-শুরু-হামের-বি/

রাজধানীর তেজগাঁও ও আশেপাশের মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ, এইচএনএস অটো সলিউশন এবং সাউদার্ন অটোমোবাইলসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো রূপান্তর সেবা দিচ্ছে। এলপিজি রূপান্তর খরচ ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সিএনজি রূপান্তর খরচ ৭০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএলের মাধ্যমে ২৯ হাজার থেকে ৬৯ হাজার টাকায় এই সেবা পাওয়া সম্ভব।

এইচএনএস অটো সলিউশনের অপারেশন ম্যানেজার দীপক কুমার সরকার বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ গাড়ি টয়োটা ব্র্যান্ডের, যা এলপিজি ও সিএনজি উভয় মাধ্যমেই সহজে রূপান্তরযোগ্য। তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অনেক ছোট-বড় রূপান্তর সেন্টার গড়ে উঠলেও নিরাপত্তার স্বার্থে মানহীন সিলিন্ডার এড়িয়ে ব্র্যান্ডের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।