ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের এলাকা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পেনাল্টি মিস করেও ইতিহাস গড়লেন মেসি চোরাই পথে সার পাচারকালে আটক, মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন, ঝলসে মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের  বকেয়া বিদ্যুৎবিল পরিশোধের পর চালু হলো বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ছাত্রলীগের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার কুলাউড়ায় যানজট, মাদক ও অপরাধ দমনে নেওয়া হলো কঠোর সিদ্ধান্ত তাড়াশে কোচিং সেন্টারের আড়ালে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন-নিপিড়নের অভিযোগ

রক্তমাখা চিঠিতে ডাকাতের হুমকি, রাত জেগে পাহারা গ্রামবাসীর

মোঃ ইসমাইল হোসেন,
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে একটি গো-খামারিদের বাড়ি বাড়ি রক্তমাখা চিঠি দিয়ে হত্যা ও ডাকাতির হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। চিঠিতে খামারিদের ঘরের দরজা খোলা রাখতে বলা হয়েছে। গত পাঁচ দিনে উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের টেকুয়াপাড়া গ্রামের প্রায় ১৫টি বাড়িতে এমন চিঠি দেওয়ার ঘটনা ঘটে। হুমকিদাতা হিসেবে চিরকুটে ‘রঘু ডাকাত’ নাম লেখা আছে। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে এ বিষয়ে স্থানীয় খামারি মোঃ আমজাদ হোসেন বাদি হয়ে শাহজাদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

টেকুয়াপাড়া গ্রামের গো-খামারি হাজি রফিকুল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন, আজাদুল ইসলাম, সানোয়ার হোসেন বলেন, গত ৪/৫ দিনে অন্তত ১৫ জনের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা নিজেদের রঘু ডাকাত পরিচয় দিয়ে রক্তমাখা চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে লিখেছে, ‘কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসব, তাই দরজা খোলা রাখবেন, না খুলে রাখলে জিন্দা খালাস…? _ইতি রঘু ডাকাত।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/16/আসমানখালী-বাজারে-লিড-মা/

এদিকে একই গ্রামের আবু সাঈদ নামে এক কৃষকের বাড়ির গরু লুট করতে ব্যর্থ হয়ে তার মেয়ে বিথি খাতুনকে রক্তমাখা চিঠিতে হত্যার হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ওই চিঠিতে লেখা, ‘আপনার মেয়ের জন্য আজকে বেঁচে গেলেন, ভাইবেন না আবার বাঁচবেন। এই বছরের প্রথমবারের মিছ হলো ওই ম্যাডামের জন্য, দেখে লেবো, মেয়ে মানুষের এত সাহস ভালো না। কালকে রাতে বাঁচতে চাইলে দরজা খোলা রাখবেন। না রাখলে জিন্দা লাস বানিয়ে দেব। ইতি রঘু ডাকাত।’ কোড নম্বর ০৬। এভাবে প্রতিটি চিঠিতে কোড নম্বর দেওয়া আছে।

অপরদিকে চেতনানাশক স্প্রের মাধ্যমে বাড়ির সবাইকে অচেতন করে খামারি আবু হোসেনের বাড়ি থেকে একটি ষাঁড় ও আমজাদ হোসেনের বাড়িতে লকার ভেঙে নগদ টাকা ও গয়না লুট করেছে। ভুক্তভোগী আমজাদ হোসেন জানান, মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন তার স্ত্রী সারা খাতুন অচেতন হয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন। ঘরে ঢুকতেই তার নাকেও স্প্রের গন্ধ আসে এবং তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। গভীর রাতে জেগে উঠে দেখেন লকার ভেঙে ১ লাখ টাকা, ১২ ভরি স্বর্ণ ও ৫ ভরি রুপার গয়নাসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/16/ভেজাল-ড্রিংকো-জুস-কারখ/

এসব ঘটনার পর ডাকাতি ও চুরি আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছে টেকুয়াপাড়া গ্রামবাসী। চিঠি দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ায় শিশুদেরকে একা একা স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে অভিভাবকরা। সন্ধ্যা নামলেই গ্রামের রাস্তাঘাট ও বাজার জনশূন্য হয়ে পড়ে। গ্রামের যুবকরা রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে। তারপরও চুরি-ডাকাতি ঠেকাতে পারছে না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

উদ্বিগ্ন গ্রামবাসী বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে এ গ্রামের ক্লাবঘরে এক জরুরি বৈঠক চলা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা আবু সাঈদের বাড়ি থেকে ২টি গরু লুট করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আবু সাঈদের মেয়ে প্রাইভেট শিক্ষক বিথি খাতুন টের পেয়ে চিৎকার শুরু করে। এ সময় বৈঠকের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে দুর্বৃত্তরা গরু ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর ওই রাতেই বিথি খাতুনকে উদ্দেশ করে ঘরের মধ্যে একটি রক্তমাখা চিঠি ফেলে রেখে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে চিঠিটি হাতে পেয়ে বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/16/সলঙ্গায়-গরু-ডাকাতির-মাং/

টেকুয়াপাড়া মিলন সংঘের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তরা গত চার দিনে আলতাব হোসেন, ঈমান আলী, বাবর আলী মেম্বর, আব্দুল হামিদ, আব্দুল খালেক ফকির, বাবলু ফকির, শাহীন ফকির, ইসমাইল ফকির, জলিল মন্ডল, শাহ আলমসহ অন্তত ১৫ জনের বাড়িতে এ ধরনের চিঠি পাঠিয়েছে। এ চিঠি পাওয়ার পর থেকে আমাদের ক্লাবের সদস্যরা রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছে। তারপরেও চুরি ও চিঠি পাঠানো ঠেকানো যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে এক বা একাধিক কোরবানির ষাঁড় গরু লালনপালন করা হচ্ছে। এই সময় এ চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় সবাই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। চোর -ডাকাতের ভয়ে সন্ধ্যার পরে বাজার ও রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। ফলে গ্রামজুড়ে এক ভয়ংকর আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম দৈনিক আমাদের প্রত্রিকা কে বলেন, চিঠি দেওয়ার বিষয়টি জানার পরই আমরা তদন্ত শুরু করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। একটি চুরির বিষয়ে আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি জানার পর এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে শাহজাদপুর থানার ওসিকে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রক্তমাখা চিঠিতে ডাকাতের হুমকি, রাত জেগে পাহারা গ্রামবাসীর

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে একটি গো-খামারিদের বাড়ি বাড়ি রক্তমাখা চিঠি দিয়ে হত্যা ও ডাকাতির হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। চিঠিতে খামারিদের ঘরের দরজা খোলা রাখতে বলা হয়েছে। গত পাঁচ দিনে উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের টেকুয়াপাড়া গ্রামের প্রায় ১৫টি বাড়িতে এমন চিঠি দেওয়ার ঘটনা ঘটে। হুমকিদাতা হিসেবে চিরকুটে ‘রঘু ডাকাত’ নাম লেখা আছে। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে এ বিষয়ে স্থানীয় খামারি মোঃ আমজাদ হোসেন বাদি হয়ে শাহজাদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

টেকুয়াপাড়া গ্রামের গো-খামারি হাজি রফিকুল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন, আজাদুল ইসলাম, সানোয়ার হোসেন বলেন, গত ৪/৫ দিনে অন্তত ১৫ জনের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা নিজেদের রঘু ডাকাত পরিচয় দিয়ে রক্তমাখা চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে লিখেছে, ‘কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসব, তাই দরজা খোলা রাখবেন, না খুলে রাখলে জিন্দা খালাস…? _ইতি রঘু ডাকাত।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/16/আসমানখালী-বাজারে-লিড-মা/

এদিকে একই গ্রামের আবু সাঈদ নামে এক কৃষকের বাড়ির গরু লুট করতে ব্যর্থ হয়ে তার মেয়ে বিথি খাতুনকে রক্তমাখা চিঠিতে হত্যার হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ওই চিঠিতে লেখা, ‘আপনার মেয়ের জন্য আজকে বেঁচে গেলেন, ভাইবেন না আবার বাঁচবেন। এই বছরের প্রথমবারের মিছ হলো ওই ম্যাডামের জন্য, দেখে লেবো, মেয়ে মানুষের এত সাহস ভালো না। কালকে রাতে বাঁচতে চাইলে দরজা খোলা রাখবেন। না রাখলে জিন্দা লাস বানিয়ে দেব। ইতি রঘু ডাকাত।’ কোড নম্বর ০৬। এভাবে প্রতিটি চিঠিতে কোড নম্বর দেওয়া আছে।

অপরদিকে চেতনানাশক স্প্রের মাধ্যমে বাড়ির সবাইকে অচেতন করে খামারি আবু হোসেনের বাড়ি থেকে একটি ষাঁড় ও আমজাদ হোসেনের বাড়িতে লকার ভেঙে নগদ টাকা ও গয়না লুট করেছে। ভুক্তভোগী আমজাদ হোসেন জানান, মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন তার স্ত্রী সারা খাতুন অচেতন হয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন। ঘরে ঢুকতেই তার নাকেও স্প্রের গন্ধ আসে এবং তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। গভীর রাতে জেগে উঠে দেখেন লকার ভেঙে ১ লাখ টাকা, ১২ ভরি স্বর্ণ ও ৫ ভরি রুপার গয়নাসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/16/ভেজাল-ড্রিংকো-জুস-কারখ/

এসব ঘটনার পর ডাকাতি ও চুরি আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছে টেকুয়াপাড়া গ্রামবাসী। চিঠি দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ায় শিশুদেরকে একা একা স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে অভিভাবকরা। সন্ধ্যা নামলেই গ্রামের রাস্তাঘাট ও বাজার জনশূন্য হয়ে পড়ে। গ্রামের যুবকরা রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে। তারপরও চুরি-ডাকাতি ঠেকাতে পারছে না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

উদ্বিগ্ন গ্রামবাসী বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে এ গ্রামের ক্লাবঘরে এক জরুরি বৈঠক চলা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা আবু সাঈদের বাড়ি থেকে ২টি গরু লুট করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আবু সাঈদের মেয়ে প্রাইভেট শিক্ষক বিথি খাতুন টের পেয়ে চিৎকার শুরু করে। এ সময় বৈঠকের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে দুর্বৃত্তরা গরু ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর ওই রাতেই বিথি খাতুনকে উদ্দেশ করে ঘরের মধ্যে একটি রক্তমাখা চিঠি ফেলে রেখে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে চিঠিটি হাতে পেয়ে বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/16/সলঙ্গায়-গরু-ডাকাতির-মাং/

টেকুয়াপাড়া মিলন সংঘের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তরা গত চার দিনে আলতাব হোসেন, ঈমান আলী, বাবর আলী মেম্বর, আব্দুল হামিদ, আব্দুল খালেক ফকির, বাবলু ফকির, শাহীন ফকির, ইসমাইল ফকির, জলিল মন্ডল, শাহ আলমসহ অন্তত ১৫ জনের বাড়িতে এ ধরনের চিঠি পাঠিয়েছে। এ চিঠি পাওয়ার পর থেকে আমাদের ক্লাবের সদস্যরা রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছে। তারপরেও চুরি ও চিঠি পাঠানো ঠেকানো যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে এক বা একাধিক কোরবানির ষাঁড় গরু লালনপালন করা হচ্ছে। এই সময় এ চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় সবাই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। চোর -ডাকাতের ভয়ে সন্ধ্যার পরে বাজার ও রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। ফলে গ্রামজুড়ে এক ভয়ংকর আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম দৈনিক আমাদের প্রত্রিকা কে বলেন, চিঠি দেওয়ার বিষয়টি জানার পরই আমরা তদন্ত শুরু করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। একটি চুরির বিষয়ে আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি জানার পর এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে শাহজাদপুর থানার ওসিকে বলা হয়েছে।