এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে লিপুর মানবিক হাত
- আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
সমাজের অবহেলিত, অসহায় ও এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে আবারও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মোহাঃ হাসিবুল হক (লিপু)। দ্বীনি শিক্ষা ও এতিম শিশুদের কল্যাণে তাঁর আন্তরিক সহমর্মিতা স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে।
গতকাল আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার “নওদা বন্ডবিল হাফেজিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং”-এ উপস্থিত হয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটির জন্য বিশেষ আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু আবেগঘন অনুষ্ঠানে তিনি অনুদানের অর্থ মাদ্রাসা ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন।অনুষ্ঠানে এতিম শিশুদের সারিবদ্ধ উপস্থিতি, কোমল কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত এবং অতিথিদের জন্য আন্তরিক অভ্যর্থনা পুরো পরিবেশকে এক অনন্য আবেগময় আবহে রূপ দেয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/04/নির্মাণকাজে-অনিয়ম-পেলে/
উপস্থিত অনেকেই বলেন, সমাজের বিত্তবান ও জনপ্রতিনিধিদের এভাবেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। অনুদান প্রদানকালে মেয়র পদপ্রার্থী মোহাঃ হাসিবুল হক (লিপু) বলেন,“এতিম ও অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক কাজ নয়, এটি আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। এই মাদ্রাসা দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আমি অতীতেও আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও এই প্রতিষ্ঠান ও এতিম শিশুদের কল্যাণে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো ইনশাআল্লাহ।”
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/04/যৌতুকের-দাবিতে-গৃহবধূ-নি/
তিনি আরও বলেন, সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই একটি মানবিক ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ, পরিচালনা কমিটির সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। মেয়র পদপ্রার্থী লিপুর এমন মানবিক উদ্যোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসী গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে এতিম ও হাফেজ শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতে অংশ নেওয়া অনেকের চোখেই ছিল আবেগের অশ্রু—যেন মানবতার এই বন্ধনই সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি।




















