ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের এলাকা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পেনাল্টি মিস করেও ইতিহাস গড়লেন মেসি চোরাই পথে সার পাচারকালে আটক, মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন, ঝলসে মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের  বকেয়া বিদ্যুৎবিল পরিশোধের পর চালু হলো বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ছাত্রলীগের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার কুলাউড়ায় যানজট, মাদক ও অপরাধ দমনে নেওয়া হলো কঠোর সিদ্ধান্ত তাড়াশে কোচিং সেন্টারের আড়ালে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন-নিপিড়নের অভিযোগ

প্রতিপক্ষের দেয়া আগুনে ঝলসে মৃত্যুর অভিযোগ, মামলা না নেয়ায় লাশ নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ

আরিফুল ইসলাম আরিফ, নীলফামারী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সৈয়দপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধ আফাজ উদ্দিনের মৃত্যুর তিন দিন পরও মামলা না নেওয়ার অভিযোগে রাস্তায় নেমে আসেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। সোমবার দুপুরে নিহতের লাশ নিয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সৈয়দপুর থানা ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে বন্ধ হয়ে যায় সৈয়দপুর-নীলফামারী শেরে বাংলা সড়কের যান চলাচল।

স্বজনদের অভিযোগ, গত বুধবার ভোরে খাতামধুপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। ঢাকা বার্ন ইউনিটে ৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শনিবার মারা যান আফাজ উদ্দিন। কিন্তু মামলা নিতে পুলিশের রহস্যজনক বিলম্ব ও ওসির অপসারণ দাবিতে প্রায় ৩ ঘণ্টা চলে এই কর্মসূচি। পরবর্তীতে দীর্ঘ ২ ঘণ্টা পর পুলিশ এজাহার জমা নিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের দাবি, মামলার এজাহারে ত্রুটি থাকায় সংশোধনের জন্য বলা হয়েছিল। পরিবারের অসহযোগিতার কারণেই মামলা নিতে বিলম্ব হয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/সিরাজগঞ্জে-ইয়াবা-ট্যাবল/

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পেট্রোল দিয়ে আগুন লাগানো এক নাশকতার ঘটনায় ঝলসে যাওয়া ষাটোর্ধ বৃদ্ধ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন।বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে খাতামধুপুর ইউনিয়ন থেকে ৭ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে লোকজন লাশসহ শহরে ঢুকে বিক্ষোভ মিছিল করে থানার প্রধান গেটে এসে সড়কে অবস্থান নেয়। এতে থানা ও সড়ক অবরুদ্ধ পড়ে। ফলে সৈয়দপুর-নীলফামারীগামী শেরে বাংলা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 

দীর্ঘ ২ ঘন্টা পর এজাহার নথিভুক্ত করে পুলিশ।  এরপরও অবরোধ তুলে না নেওয়ায় সড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। সড়কে অবস্থানকালে বিক্ষুব্ধ আত্মীয় স্বজন থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) অপসারণ ও শান্তি দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত থানা ভবনের গেটে এসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা। প্রায় ৩ ঘন্টা এই পরিস্থিতি বিরাজ করে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/সিরাজগঞ্জে-ব্রিজের-নিচ-থ/

গত বুধবার (৩ জুন) ভোর ৪ টার দিকে উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কাচারীপাড়ায় বৃদ্ধ আফাজ উদ্দিনের (৬২) বড় ছেলে নুর হোসেনের নির্মাণাধীন বাড়িতে পেট্রোল আগুনের শিকার হয়ে ঝলসে যায়। ঘটনার পরেই বাবাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে সেদিন বিকেলেই তাঁকে ঢাকায় বার্ণ ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলা অবস্থায় গত শনিবার (৬ জুন) দুপুর ১ টায় মারা যান।

আফাজ উদ্দিনের ছোট ছেলে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, প্রায় ৫ মাস আগে পাতা কুড়ানো নিয়ে একই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মাঝাপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুস সালাম চঞ্চল  আমার ভাইকে মারধর করে মোবাইল ভেঙ্গে দেয়। এরই জেরে মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে তারাগঞ্জ বাজারে আমার ভাইকে আটক করে মারধর করে। সেই  ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই চঞ্চলসহ তার পরিবারের লোকজন আমার ভাইকে পুড়িয়ে মারতে ঘরে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/নিরাপদ-অভিবাসন-নিশ্চিত-ক/

কিন্তু ঘটনাক্রমে ভাই পুরাতন বাড়িতে থাকায় আমার বৃদ্ধ বাবা নৃশংসতার শিকার হয়েছেন। তিনি ৩ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ঢাকার বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু ৩ দিনেও পুলিশ মামলা নেয়নি। তাছাড়া ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আমরা লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও করেছি।  আমরা এই অন্যায়ের বিচার চাই। এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা বলেন, ঘটনার পরই এসআই ঋষিকেশ চন্দ্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করেছেন। কিন্তু নিহতের পরিবারের লোকজন চিকিৎসার জন্য ব্যস্ত থাকায় কেউ আসতে না পারায় লিখিত অভিযোগ নেওয়া সম্ভব হয়নি। গতকাল রোববার তারা একটা এজাহার আনলেও তাতে কিছু ত্রুটি থাকায় সংশোধন করতে বলি। 

কিন্তু তারা রাজি হয়নি। এমনকি আমরা সংশোধন করে দিতে চাইলেও সম্মত না হওয়ায় এই বিলম্ব। আজ সকাল ৯ টায় আসার জন্য বললে তারা লাশ ও লোকজন নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। মামলা নথিভুক্ত হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে প্রতিপক্ষের মন্তব্য আক্রোশ বশত: মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে হেনস্তা করতে নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষ কোন সাক্ষী নাই এবং প্রতিপক্ষের কেউ জড়িত নয়। কিন্তু ঘটনাটাকে নিয়ে একটা চক্র ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রতিপক্ষের দেয়া আগুনে ঝলসে মৃত্যুর অভিযোগ, মামলা না নেয়ায় লাশ নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

সৈয়দপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধ আফাজ উদ্দিনের মৃত্যুর তিন দিন পরও মামলা না নেওয়ার অভিযোগে রাস্তায় নেমে আসেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। সোমবার দুপুরে নিহতের লাশ নিয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সৈয়দপুর থানা ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে বন্ধ হয়ে যায় সৈয়দপুর-নীলফামারী শেরে বাংলা সড়কের যান চলাচল।

স্বজনদের অভিযোগ, গত বুধবার ভোরে খাতামধুপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। ঢাকা বার্ন ইউনিটে ৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শনিবার মারা যান আফাজ উদ্দিন। কিন্তু মামলা নিতে পুলিশের রহস্যজনক বিলম্ব ও ওসির অপসারণ দাবিতে প্রায় ৩ ঘণ্টা চলে এই কর্মসূচি। পরবর্তীতে দীর্ঘ ২ ঘণ্টা পর পুলিশ এজাহার জমা নিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের দাবি, মামলার এজাহারে ত্রুটি থাকায় সংশোধনের জন্য বলা হয়েছিল। পরিবারের অসহযোগিতার কারণেই মামলা নিতে বিলম্ব হয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/সিরাজগঞ্জে-ইয়াবা-ট্যাবল/

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পেট্রোল দিয়ে আগুন লাগানো এক নাশকতার ঘটনায় ঝলসে যাওয়া ষাটোর্ধ বৃদ্ধ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন।বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে খাতামধুপুর ইউনিয়ন থেকে ৭ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে লোকজন লাশসহ শহরে ঢুকে বিক্ষোভ মিছিল করে থানার প্রধান গেটে এসে সড়কে অবস্থান নেয়। এতে থানা ও সড়ক অবরুদ্ধ পড়ে। ফলে সৈয়দপুর-নীলফামারীগামী শেরে বাংলা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 

দীর্ঘ ২ ঘন্টা পর এজাহার নথিভুক্ত করে পুলিশ।  এরপরও অবরোধ তুলে না নেওয়ায় সড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। সড়কে অবস্থানকালে বিক্ষুব্ধ আত্মীয় স্বজন থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) অপসারণ ও শান্তি দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত থানা ভবনের গেটে এসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা। প্রায় ৩ ঘন্টা এই পরিস্থিতি বিরাজ করে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/সিরাজগঞ্জে-ব্রিজের-নিচ-থ/

গত বুধবার (৩ জুন) ভোর ৪ টার দিকে উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কাচারীপাড়ায় বৃদ্ধ আফাজ উদ্দিনের (৬২) বড় ছেলে নুর হোসেনের নির্মাণাধীন বাড়িতে পেট্রোল আগুনের শিকার হয়ে ঝলসে যায়। ঘটনার পরেই বাবাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে সেদিন বিকেলেই তাঁকে ঢাকায় বার্ণ ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলা অবস্থায় গত শনিবার (৬ জুন) দুপুর ১ টায় মারা যান।

আফাজ উদ্দিনের ছোট ছেলে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, প্রায় ৫ মাস আগে পাতা কুড়ানো নিয়ে একই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মাঝাপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুস সালাম চঞ্চল  আমার ভাইকে মারধর করে মোবাইল ভেঙ্গে দেয়। এরই জেরে মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে তারাগঞ্জ বাজারে আমার ভাইকে আটক করে মারধর করে। সেই  ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই চঞ্চলসহ তার পরিবারের লোকজন আমার ভাইকে পুড়িয়ে মারতে ঘরে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/নিরাপদ-অভিবাসন-নিশ্চিত-ক/

কিন্তু ঘটনাক্রমে ভাই পুরাতন বাড়িতে থাকায় আমার বৃদ্ধ বাবা নৃশংসতার শিকার হয়েছেন। তিনি ৩ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ঢাকার বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু ৩ দিনেও পুলিশ মামলা নেয়নি। তাছাড়া ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আমরা লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও করেছি।  আমরা এই অন্যায়ের বিচার চাই। এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা বলেন, ঘটনার পরই এসআই ঋষিকেশ চন্দ্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করেছেন। কিন্তু নিহতের পরিবারের লোকজন চিকিৎসার জন্য ব্যস্ত থাকায় কেউ আসতে না পারায় লিখিত অভিযোগ নেওয়া সম্ভব হয়নি। গতকাল রোববার তারা একটা এজাহার আনলেও তাতে কিছু ত্রুটি থাকায় সংশোধন করতে বলি। 

কিন্তু তারা রাজি হয়নি। এমনকি আমরা সংশোধন করে দিতে চাইলেও সম্মত না হওয়ায় এই বিলম্ব। আজ সকাল ৯ টায় আসার জন্য বললে তারা লাশ ও লোকজন নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। মামলা নথিভুক্ত হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে প্রতিপক্ষের মন্তব্য আক্রোশ বশত: মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে হেনস্তা করতে নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষ কোন সাক্ষী নাই এবং প্রতিপক্ষের কেউ জড়িত নয়। কিন্তু ঘটনাটাকে নিয়ে একটা চক্র ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।