ওএমএসের চাল-আটা মজুদের অভিযোগে জরিমানার পর বিএনপি নেতা সুজন বহিষ্কার
- আপডেট সময় : ০১:২৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
সরকারি ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কর্মসূচির চাল ও আটা অবৈধভাবে মজুদ রাখার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে জরিমানার ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা বিএনপি।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/17/দৌলতদিয়াড়ে-মাদকবিরোধী/
মঙ্গলবার (১৬ জুন) চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ জুন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালিত এক অভিযানে সোহেল আহমেদ মালিক সুজনের বিরুদ্ধে সরকারি ওএমএস কর্মসূচির চাল ও আটা অবৈধভাবে মজুদের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বিষয়টিকে দলবিরোধী এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে জেলা বিএনপি।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সুজনের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠান। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো লিখিত ব্যাখ্যা বা জবাব প্রদান করেননি।এ অবস্থায় দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাকে চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/17/দিনাজপুরে-ডেইলি-শপিং-এ/
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিএনপি কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, অনৈতিক কার্যকলাপ কিংবা দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন অভিযোগে অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গায় সোহেল আহমেদ মালিক সুজনের বহিষ্কারও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এ সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় বিএনপির এ পদক্ষেপ ভবিষ্যতে নেতাকর্মীদের জন্য একটি বার্তা হিসেবে কাজ করবে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।




















