আলমডাঙ্গায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৯:১৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। “বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প (২য় ফেইজ)” এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, আলমডাঙ্গার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৭ জুন শুরু হয়ে ১৭ জুন সমাপ্ত হয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/17/বিমানবন্দরে-যাওয়ার-পথে/
আলমডাঙ্গা উপজেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কোর্স পরিচালক শাহীনুর আক্তার। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শুধু কারিগরি দক্ষতা নয়, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ, সময় ব্যবস্থাপনা ও ইতিবাচক মনোভাব একজন মানুষকে সফলতার পথে এগিয়ে নেয়। এই প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ জাকির হোসেন এবং সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আইনাল হক। তারা সরকারের এ ধরনের উদ্যোগকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে জুনিয়র ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মৌমিতা পারভীন। কোর্স কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/17/মৌলভীবাজার-ও-শ্রীমঙ্গলে/
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এ সময় প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, প্রশিক্ষণটি তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে যোগাযোগ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং কর্মক্ষেত্রে আচরণগত উন্নয়নের বিষয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেছেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আরও দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে এবং দেশের সামগ্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।




















