ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সিরাজগঞ্জে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ পশ্চিমবঙ্গের পান্ডুয়া মাঠে গরু নিয়ে গিয়ে বজ্রপাতে ১ জন নিহত! মুম্বইয়ের ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে উল্টে গেল গাড়ি, ২ জন নিহত শিল্প বর্জ্যের বিষাক্ত দূষণে বিপর্যস্ত বসুন্দিয়া ও আশপাশের জনজীবন মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানে আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যাহ্নভোজ শূন্য পদ ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি: সংসদে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলতে আনোয়ার ইব্রাহিমকে অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর ওয়াসিম হত্যা মামলায় হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে হুমকিতে মহিপুর সেতু, ঝুঁকিতে রংপুর-কাকিনা সড়ক

খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ:
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা নূর আলম শেখ ও স্থানীয় জনগণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বে হাতে লেখা রেজিস্টারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া জন্ম নিবন্ধনগুলো সরকারি অনলাইন ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত থাকা সত্ত্বেও পুনরায় নতুন করে নিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হচ্ছে। এতে একই ব্যক্তির নামে একাধিক জন্ম নিবন্ধন নম্বর সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে, যা বিদ্যমান বিধিমালার পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রতিটি কাজের জন্য অতিরিক্ত ১০০ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে ইউনিয়ন পরিষদের বাইরে থেকে একজন ব্যক্তিকে এনে অফিস কক্ষে বসিয়ে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন কাজ করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ও পুনর্মুদ্রণের ক্ষেত্রেও সরকারি নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যথাযথ কর্তৃপক্ষের লিখিত বা মৌখিক অনুমতি ছাড়া অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। ওই দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিস পরিদর্শনে এসে তাকে না পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিষয়টি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে বলা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী বাহাউদ্দিনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন, যাতে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা নূর আলম শেখ ও স্থানীয় জনগণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বে হাতে লেখা রেজিস্টারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া জন্ম নিবন্ধনগুলো সরকারি অনলাইন ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত থাকা সত্ত্বেও পুনরায় নতুন করে নিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হচ্ছে। এতে একই ব্যক্তির নামে একাধিক জন্ম নিবন্ধন নম্বর সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে, যা বিদ্যমান বিধিমালার পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রতিটি কাজের জন্য অতিরিক্ত ১০০ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে ইউনিয়ন পরিষদের বাইরে থেকে একজন ব্যক্তিকে এনে অফিস কক্ষে বসিয়ে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন কাজ করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ও পুনর্মুদ্রণের ক্ষেত্রেও সরকারি নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যথাযথ কর্তৃপক্ষের লিখিত বা মৌখিক অনুমতি ছাড়া অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। ওই দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিস পরিদর্শনে এসে তাকে না পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিষয়টি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে বলা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী বাহাউদ্দিনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন, যাতে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।