আলমডাঙ্গায় কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রান্তিক কৃষকদের প্রতিবাদে উত্তাল জনপদ
- আপডেট সময় : ০৩:২৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় হঠাৎ করেই কৃষি অঙ্গনে শুরু হয়েছে অস্বস্তিকর এক আলোচনা। উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে একটি মহলের অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়ানো এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা। স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকদিন ধরে একটি কুচক্রি মহল পরিকল্পিতভাবে কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরছে। কৃষকদের দাবি—যিনি সার সংকটের দুর্দিনে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, যিনি সিন্ডিকেট ভেঙে ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দিয়েছিলেন কৃষকের ঘরে ঘরে, তার বিরুদ্ধেই এখন ছড়ানো হচ্ছে অপপ্রচার।
“তিনি আমাদের ভরসার জায়গা” উপজেলার একাধিক কৃষক আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,
“মাসুদ স্যার আলমডাঙ্গায় আসার পর থেকেই বদলে গেছে কৃষি অফিসের চিত্র। আগে সার পেতে ভোগান্তি হতো, এখন সে সমস্যা নেই। তিনি মাঠে আসেন, আমাদের কথা শোনেন। এমন একজন মানুষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার আমরা মেনে নিতে পারি না।” কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাসুদ হোসেন পলাশ যোগদানের পর দীর্ঘদিনের সার সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেন। কথিত সার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকদের কাছে স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনায় সার বিতরণ নিশ্চিত করেন। শুধু তাই নয়, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত বীজ ও রোগবালাই দমনে পরামর্শ দিতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন তিনি।
কৃষক প্রতিনিধিদের দাবি, একজন সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তা হিসেবে মাসুদ হোসেন পলাশ তার কর্মজীবনে সবসময়ই দায়িত্ব পালনে আপসহীন ছিলেন। জানা গেছে, অতীতেও বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি এবং দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত থেকেছেন। তবুও দায়িত্ব থেকে সরে যাননি; বরং কৃষকের পাশে দাঁড়ানোকে নিজের অঙ্গীকার হিসেবে নিয়েছেন।
তার এই বক্তব্যে যেন প্রতিফলিত হয়েছে আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধের দৃঢ়তা।স্থানীয় কৃষক সমাজের আশা—চলমান অপপ্রচার দ্রুত বন্ধ হবে এবং কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে। তাদের ভাষায়, “একজন ভালো কর্মকর্তা থাকলে পুরো এলাকার কৃষি বদলে যায়। আমরা চাই তিনি নির্ভয়ে কাজ করে যান।” আলমডাঙ্গার মাঠে এখন ধান-গম-সবজির পাশাপাশি আলোচনায় আছে আরেকটি বিষয়—সততার পক্ষে দাঁড়ানোর প্রশ্ন। অপপ্রচারের ঝড় থামিয়ে কৃষি উন্নয়নের অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে—এটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।




















