চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সহিংসতায় প্রাণহানি: নিরপেক্ষ তদন্ত ও নিরপরাধদের হয়রানি না করার আহ্বান জেলা বিএনপির
- আপডেট সময় : ১২:২৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় হাফিজুর রহমানের মৃত্যু এবং কয়েকজনের আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক মো: শরীফুজ্জামান শরীফ।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে রাজনীতিকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা দুঃখজনক। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে সৃষ্ট সংঘাতকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা অনভিপ্রেত এবং তা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করতে পারে।
নেতৃদ্বয় স্পষ্ট করে বলেন, “অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা জরুরি।” তারা স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরীহ ও নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারা। জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ জীবননগরসহ সমগ্র চুয়াডাঙ্গাবাসীর প্রতি শান্তি, সংযম ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা জনজীবনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। সংঘাত নয়, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধই যেকোনো সমস্যার টেকসই সমাধান এনে দিতে পারে।
উল্লেখ্য, শনিবার হাসাদাহ ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত সহিংসতায় একজন নিহত ও একাধিক ব্যক্তি আহত হওয়ার ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।




















