চুয়াডাঙ্গায় তেল পাচারের অভিযোগে তোলপাড় মেসার্স মোজাম্মেল হক ফিলিং স্টেশন
- আপডেট সময় : ১০:১৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের এই সময়ে চুয়াডাঙ্গা শহরের একাডেমী মোড় এলাকায় অবস্থিত মেসার্স মোজাম্মেল হক ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে উঠেছে তেল পাচারের গুরুতর অভিযোগ। পাম্পের তেলের গাড়ির চালক লিটনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে তেল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা ডিপো থেকে তেল আনার সময় প্রতিবার প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ লিটার পর্যন্ত তেল গোপনে আলাদা করে ফেলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পাম্পের ম্যানেজার কাউছারের সহায়তায় এই তেল নিয়মিতভাবে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং পরে তা বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গার নুরনগর মুন্না মোড় এলাকায় বড় বড় ব্যারেলে তেল নামিয়ে তা ছোট ব্যারেল ও পাখি ভ্যানে করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক বছর ধরে তারা বিষয়টি নজরে রেখেছেন এবং একাধিকবার এ ধরনের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেছেন।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/05/খুলনা-বিভাগীয়-প্রেসক্লা/
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, ড্রাইভার লিটন তার নিজস্ব নিয়ন্ত্রণাধীন শান্তিপাড়া ও বুদো মিয়ার আমবাগান সংলগ্ন এলাকায় গোপনে তেলের দোকান পরিচালনা করে আসছেন, যেখানে পাচারকৃত তেল বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে একদিকে সাধারণ মানুষ পাম্পে পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন, অন্যদিকে কালোবাজারে তেল বিক্রির মাধ্যমে একটি চক্র লাভবান হচ্ছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/06/রাজাপুরে-পার্টনার-ফিল্ড/
এ বিষয়ে স্থানীয় দোকানদাররা জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। প্রমাণসহ মালিক পক্ষকে জানিয়েছি। এখন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”সাধারণ জনগণ মনে করছেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এতে করে তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে। এদিকে সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনের মালিকপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হবে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখা হবে।




















