ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের এলাকা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পেনাল্টি মিস করেও ইতিহাস গড়লেন মেসি চোরাই পথে সার পাচারকালে আটক, মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন, ঝলসে মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের  বকেয়া বিদ্যুৎবিল পরিশোধের পর চালু হলো বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ছাত্রলীগের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার কুলাউড়ায় যানজট, মাদক ও অপরাধ দমনে নেওয়া হলো কঠোর সিদ্ধান্ত তাড়াশে কোচিং সেন্টারের আড়ালে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন-নিপিড়নের অভিযোগ

ঢাকাকে ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ গড়তে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১২:১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানী ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

প্রধানমন্ত্রী জানান, নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে সাপ্তাহিক কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনগুলোতে সবুজায়ন ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় সড়কের মিডিয়ান, দ্বীপ ও উন্মুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু রয়েছে। পাশাপাশি মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে সার্কুলার ইকোনমি ভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে ‘জিরো বর্জ্য’ ধারণা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নগর বনায়ন, বিশেষ করে মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে বন সৃষ্টি এবং আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখ গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের ফাঁকা স্থানেও বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে আধুনিক বাস সার্ভিস ও ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে। একই সঙ্গে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, নির্মাণকাজ ও ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

ঢাকার চারপাশে অবস্থিত অবৈধ ইটভাটা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সাভার এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে সেখানে ইটভাটা পরিচালনা ও খোলা স্থানে বর্জ্য পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নদী ও জলাশয়ের দূষণ রোধে তরল বর্জ্য নির্গমনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণে আইপি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, রাজধানীর পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় ইতোমধ্যে ৪১ হাজারের বেশি গাছ রোপণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাকে সবুজ নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকাকে ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ গড়তে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানী ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

প্রধানমন্ত্রী জানান, নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে সাপ্তাহিক কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনগুলোতে সবুজায়ন ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় সড়কের মিডিয়ান, দ্বীপ ও উন্মুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু রয়েছে। পাশাপাশি মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে সার্কুলার ইকোনমি ভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে ‘জিরো বর্জ্য’ ধারণা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নগর বনায়ন, বিশেষ করে মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে বন সৃষ্টি এবং আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখ গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের ফাঁকা স্থানেও বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে আধুনিক বাস সার্ভিস ও ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে। একই সঙ্গে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, নির্মাণকাজ ও ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

ঢাকার চারপাশে অবস্থিত অবৈধ ইটভাটা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সাভার এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে সেখানে ইটভাটা পরিচালনা ও খোলা স্থানে বর্জ্য পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নদী ও জলাশয়ের দূষণ রোধে তরল বর্জ্য নির্গমনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণে আইপি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, রাজধানীর পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় ইতোমধ্যে ৪১ হাজারের বেশি গাছ রোপণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাকে সবুজ নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।