ইউনূস সরকারের দেড় বছরে সিদ্ধান্তগুলো ঘিরে বিতর্কের ঝড়
- আপডেট সময় : ০৩:৪৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর দেড় বছরের শাসনামলে নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ বা এআরটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চুক্তির শর্ত ও ভাষাগত কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এতে বাংলাদেশের বাজারে কিছু খাতে শুল্ক ছাড়ের সুযোগ তৈরি হলেও নীতি-স্বাধীনতার ওপর চাপ বাড়তে পারে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি সই হয় বলে দাবি করা হয়। চুক্তিতে ‘শ্যাল’ ও ‘উইল’ ব্যবহারের পার্থক্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের ওপর বাধ্যবাধকতা তুলনামূলক বেশি বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/19/১৬-ডিসেম্বর-চালু-হচ্ছে-শা/
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য, গাড়ি, ডিজিটাল কোম্পানি ও বিভিন্ন খাতে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার শর্ত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বিপরীতে বাংলাদেশের পোশাক ও বস্ত্র খাতে শুল্ক সুবিধার কথা বলা হলেও সেটি শর্তসাপেক্ষ বলে দাবি করা হচ্ছে। একই সময়ে বোয়িং কোম্পানি থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তি নিয়েও স্বচ্ছতা ও ব্যয় নিয়ে সমালোচনা চলছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/19/সেপ্টেম্বর-অক্টোবর-থেকে/
এদিকে জনস্বাস্থ্য খাতে হাম টিকা কর্মসূচি ও সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকা সরবরাহে সংকটের কারণে শত শত শিশু ঝুঁকিতে পড়েছে এবং সংক্রমণ বাড়ছে। সব মিলিয়ে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য খাত—সব ক্ষেত্রেই সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন।

























