ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের এলাকা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পেনাল্টি মিস করেও ইতিহাস গড়লেন মেসি চোরাই পথে সার পাচারকালে আটক, মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন, ঝলসে মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের  বকেয়া বিদ্যুৎবিল পরিশোধের পর চালু হলো বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ছাত্রলীগের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার কুলাউড়ায় যানজট, মাদক ও অপরাধ দমনে নেওয়া হলো কঠোর সিদ্ধান্ত তাড়াশে কোচিং সেন্টারের আড়ালে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন-নিপিড়নের অভিযোগ

পাহাড়ি দুর্ঘটনায় বেঁচে ফিরলেন তিন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের লাদাখের লেহ এলাকার পার্বত্য অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। ২০ মে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তিনজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।

দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত হেলিকপ্টারটি ছিল পুরনো ‘চিতা’ বহরের, যা মূলত উচ্চ পার্বত্য এলাকায় সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। হেলিকপ্টারটিতে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, একজন মেজর (পাইলট) এবং একজন মেজর জেনারেল শচীন মেহতা যাত্রী হিসেবে ছিলেন। দুর্ঘটনায় তারা সবাই আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। পরে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধ্বংসপ্রাপ্ত হেলিকপ্টারের পাশে তাদের একটি সেলফি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/23/চীনের-কয়লা-খনিতে-ভয়াবহ/

সেনা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর আবারও পুরনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ১৯৭০-এর দশকে তৈরি এসব হেলিকপ্টার দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে সিয়াচেন হিমবাহসহ বিভিন্ন সামরিক অভিযানে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/23/চীনের-কয়লা-খনিতে-ভয়াবহ/

ভারতীয় সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে এসব পুরনো হেলিকপ্টার বাতিল করে দেশীয়ভাবে নির্মিত নতুন হালকা হেলিকপ্টার ব্যবহারের দিকে যাচ্ছে। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) নির্মিত নতুন হেলিকপ্টার ঘণ্টায় প্রায় ২২০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম এবং প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত অপারেশন পরিচালনা করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিতা হেলিকপ্টার এখনও কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর হলেও এর পুরনো প্রযুক্তি নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাহাড়ি দুর্ঘটনায় বেঁচে ফিরলেন তিন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ভারতের লাদাখের লেহ এলাকার পার্বত্য অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। ২০ মে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তিনজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।

দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত হেলিকপ্টারটি ছিল পুরনো ‘চিতা’ বহরের, যা মূলত উচ্চ পার্বত্য এলাকায় সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। হেলিকপ্টারটিতে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, একজন মেজর (পাইলট) এবং একজন মেজর জেনারেল শচীন মেহতা যাত্রী হিসেবে ছিলেন। দুর্ঘটনায় তারা সবাই আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। পরে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধ্বংসপ্রাপ্ত হেলিকপ্টারের পাশে তাদের একটি সেলফি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/23/চীনের-কয়লা-খনিতে-ভয়াবহ/

সেনা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর আবারও পুরনো ‘চিতা’ হেলিকপ্টারের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ১৯৭০-এর দশকে তৈরি এসব হেলিকপ্টার দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে সিয়াচেন হিমবাহসহ বিভিন্ন সামরিক অভিযানে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/23/চীনের-কয়লা-খনিতে-ভয়াবহ/

ভারতীয় সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে এসব পুরনো হেলিকপ্টার বাতিল করে দেশীয়ভাবে নির্মিত নতুন হালকা হেলিকপ্টার ব্যবহারের দিকে যাচ্ছে। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) নির্মিত নতুন হেলিকপ্টার ঘণ্টায় প্রায় ২২০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম এবং প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত অপারেশন পরিচালনা করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিতা হেলিকপ্টার এখনও কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর হলেও এর পুরনো প্রযুক্তি নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।