কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় আরও তিনজন গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকায় গত ২৮ মে রাতে ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে উপজেলার রতনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার রতনপুর গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে কাওছার আহমেদ (৩৩), জয়নুদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩২) এবং একই উপজেলার নিশিন্দাহাটি গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে শাওন মিয়া (২৬)। পুলিশের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/02/মাদারগঞ্জে-স্বরন-কালের-স/
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মে ঈদের দিন মধ্যরাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে চন্দ্রা ফরেস্ট অফিসের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ১৫ থেকে ২০ সদস্যের একটি ডাকাত চক্র সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকার ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে শাহিন আলম (২৯) ও রবিউল মিয়া (৩২) নামে দুজনকে গ্রেফতার করে। তবে তাদের সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
পরে ২৯ মে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্য ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রতনপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় রতনপুর এলাকা থেকে দুজন এবং সফিপুর এলাকা থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/02/ফুটপাত-দখলমুক্ত-করতে-ইউএ/
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃতরা কয়েক মাস আগে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। জামিনে বের হয়ে তারা পুনরায় একই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি বিভিন্ন মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ছিনতাই, ডাকাতি এবং খুনের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ও পথচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও ছিনতাই করে আসছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদকসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।























