সীমান্তে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিজিবি: পুশ-ইন প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা
- আপডেট সময় : ১০:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অবৈধ অনুপ্রবেশ বা কথিত ‘পুশ-ইন’ প্রতিরোধে বাহিনীটি গ্রহণ করেছে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। সীমান্তজুড়ে নিয়মিত টহল, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার কোনো সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন কিংবা এ ধরনের কোনো চেষ্টার ঘটনা ঘটেনি। তবে সম্ভাব্য যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীটি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। বিশেষ করে দর্শনা, জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/11/রূপগঞ্জে-বিপুল-পরিমাণ-মা/
বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানবপাচার ও সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ পারাপার রোধে বাহিনীটি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত সুরক্ষায় স্থানীয় জনগণকেও সচেতন ও সতর্ক থাকতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, “সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পারাপার রোধে নিয়মিত অভিযান এবং টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পুশ-ইন বা পুশ-ইনের চেষ্টার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।
সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারাও আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।”তিনি আরও বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে রাতের বেলায় টহল ও নজরদারি কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশের সুযোগ না থাকে।”
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/11/আড়াইহাজারে-চাঁদার-দাবিত/
সীমান্ত নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের মতে, বিজিবির কঠোর নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার ফলে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত বর্তমানে অধিকতর নিরাপদ রয়েছে।দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বাহিনীর এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।




















