জীবননগরে ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান
- আপডেট সময় : ০৪:৫৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় জেলা বীজ প্রত্যয়ন কার্যালয়ের বহিরাঙ্গন কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/18/আলমডাঙ্গায়-দুর্নীতিবির/
অভিযানকালে বাজারে পণ্যের মূল্যতালিকা ও বীজ বিপণন কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় তদারকি করা হয়। তদারকির সময় মূল্যতালিকা হালনাগাদ না রাখার অভিযোগে মো. আশরাফুল হকের আশরাফুল স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া বীজের মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ না থাকায় মো. আব্দুল হাকিমের জয়া বীজ ভান্ডারকে ৭ হাজার টাকা এবং বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার দায়ে মো. আব্দুল আলীমের এরিন চাউল ঘরকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/18/অসুস্থ-মাকে-দেখতে-বাড়ি-ফ/
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এসব অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়েছে। অভিযানে সর্বমোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযান শেষে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। তাদের মূল্যতালিকা নিয়মিত হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত ও যৌক্তিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ, মানহীন পণ্য, ঔষধ, বীজ ও শিশু খাদ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/18/সিরাজগঞ্জে-১৫৯০-পিস-ইয়া/
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। জনস্বার্থে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার কথাও তারা উল্লেখ করেন।স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।
তাদের মতে, নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকলে বাজারে অনিয়ম কমবে, ব্যবসায়ীদের মধ্যে জবাবদিহিতা বাড়বে এবং ভোক্তারা ন্যায্য মূল্যে নিরাপদ পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পাবেন।




















