ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
পশ্চিমবঙ্গের পান্ডুয়া মাঠে গরু নিয়ে গিয়ে বজ্রপাতে ১ জন নিহত! মুম্বইয়ের ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে উল্টে গেল গাড়ি, ২ জন নিহত শিল্প বর্জ্যের বিষাক্ত দূষণে বিপর্যস্ত বসুন্দিয়া ও আশপাশের জনজীবন মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানে আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যাহ্নভোজ শূন্য পদ ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি: সংসদে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলতে আনোয়ার ইব্রাহিমকে অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর ওয়াসিম হত্যা মামলায় হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে হুমকিতে মহিপুর সেতু, ঝুঁকিতে রংপুর-কাকিনা সড়ক আলমডাঙ্গায় মাদকসেবনের দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড

কালিদাসপুর সাদাব্রিজে মৃত্যু ফাঁদ: ট্রাকের চাকায় ঝরে গেল এনজিও কর্মী হাবিবুরের জীবন

বশিরুল আলম, চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১২:৪১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাত তখন সাড়ে ৯টা। আলমডাঙ্গা-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক সড়কে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক ছিল। মোটরসাইকেলে করে পরিবারের কাছে ফেরার পথে ছিলেন এনজিও কর্মী হাবিবুর রহমান। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সবকিছু বদলে যায়। কালিদাসপুর সাদাব্রিজ এলাকায় একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি। স্বজনদের কাছে আর ফেরা হলো না ৪০ বছর বয়সী এই কর্মজীবী মানুষের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও আলোচনায় এনেছে আলমডাঙ্গা-কুষ্টিয়া সড়কের নিরাপত্তা সংকটকে। স্থানীয়দের ভাষায়, “এ সড়ক যেন দিন দিন মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হচ্ছে।” নিহত হাবিবুর রহমান কুষ্টিয়া জেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের মাজিলা গ্রামের আলী আকবর হোসেনের ছেলে। ঘটনাস্থলে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তিনি আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন হোমিও চিকিৎসক মুকিমের জামাতা বলেও জানা গেছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/18/জীবননগরে-ভোক্তা-অধিকার-অ/

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাবিবুর রহমান মোটরসাইকেলযোগে কুষ্টিয়া থেকে আলমডাঙ্গার দিকে ফিরছিলেন। কালিদাসপুর সাদাব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আসাদ এগ্রোটেক লিমিটেডের একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর তিনি ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাকটি তাঁর মাথার ওপর দিয়ে চলে যাওয়ায় মুখমণ্ডল সম্পূর্ণ বিকৃত হয়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সাহসিকতার সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করেন। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ধাওয়া করে আলমডাঙ্গার জগন্নাথপুর এলাকায় ট্রাকটি আটক করতে সক্ষম হন তারা। তবে উত্তেজিত জনতার হাতে গণপিটুনির শিকার হলেও সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায় ট্রাকের চালক ও হেলপার।
প্রত্যক্ষদর্শী এক দোকানদার বলেন, “হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে দেখি একজন মোটরসাইকেলসহ রাস্তায় পড়ে আছেন। ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছিল। আমরা কয়েকজন মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পেছনে ধাওয়া করে ট্রাকটি আটক করতে সক্ষম হই।”

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/19/খুলনা-বিভাগীয়-সমাবেশ-ঘি/

আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষায়, “ফায়ার সার্ভিস এসে নিহত ব্যক্তির কাছে থাকা পরিচয়পত্র দেখে পরিচয় নিশ্চিত করে। এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত গতির কারণে এমন প্রাণহানি দিন দিন বাড়ছে।” খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পরে মরদেহ ও মোটরসাইকেল আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।”

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনযযচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, “ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা ট্রাকটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট-১৫-১৬৫৪।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/19/আলমডাঙ্গায়-সরকারি-সম্পদ/

এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, কালিদাসপুর সাদাব্রিজ সংলগ্ন সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ। ভারী যানবাহনের বেপরোয়া গতি, অপর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।স্থানীয়দের দাবি, সড়কটিতে দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড, স্পিড ব্রেকার এবং নিয়মিত ট্রাফিক নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতেও এমন মর্মান্তিক প্রাণহানি রোধ করা কঠিন হবে। একটি দুর্ঘটনা শুধু একটি প্রাণই কেড়ে নেয় না, ভেঙে দেয় একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ। হাবিবুর রহমানের মৃত্যু সেই নির্মম বাস্তবতারই আরেকটি বেদনাদায়ক স্মারক হয়ে রইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিদাসপুর সাদাব্রিজে মৃত্যু ফাঁদ: ট্রাকের চাকায় ঝরে গেল এনজিও কর্মী হাবিবুরের জীবন

আপডেট সময় : ১২:৪১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

রাত তখন সাড়ে ৯টা। আলমডাঙ্গা-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক সড়কে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক ছিল। মোটরসাইকেলে করে পরিবারের কাছে ফেরার পথে ছিলেন এনজিও কর্মী হাবিবুর রহমান। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সবকিছু বদলে যায়। কালিদাসপুর সাদাব্রিজ এলাকায় একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি। স্বজনদের কাছে আর ফেরা হলো না ৪০ বছর বয়সী এই কর্মজীবী মানুষের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও আলোচনায় এনেছে আলমডাঙ্গা-কুষ্টিয়া সড়কের নিরাপত্তা সংকটকে। স্থানীয়দের ভাষায়, “এ সড়ক যেন দিন দিন মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হচ্ছে।” নিহত হাবিবুর রহমান কুষ্টিয়া জেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের মাজিলা গ্রামের আলী আকবর হোসেনের ছেলে। ঘটনাস্থলে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তিনি আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার পুরাতন সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন হোমিও চিকিৎসক মুকিমের জামাতা বলেও জানা গেছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/18/জীবননগরে-ভোক্তা-অধিকার-অ/

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাবিবুর রহমান মোটরসাইকেলযোগে কুষ্টিয়া থেকে আলমডাঙ্গার দিকে ফিরছিলেন। কালিদাসপুর সাদাব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আসাদ এগ্রোটেক লিমিটেডের একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর তিনি ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাকটি তাঁর মাথার ওপর দিয়ে চলে যাওয়ায় মুখমণ্ডল সম্পূর্ণ বিকৃত হয়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সাহসিকতার সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করেন। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ধাওয়া করে আলমডাঙ্গার জগন্নাথপুর এলাকায় ট্রাকটি আটক করতে সক্ষম হন তারা। তবে উত্তেজিত জনতার হাতে গণপিটুনির শিকার হলেও সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায় ট্রাকের চালক ও হেলপার।
প্রত্যক্ষদর্শী এক দোকানদার বলেন, “হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে দেখি একজন মোটরসাইকেলসহ রাস্তায় পড়ে আছেন। ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছিল। আমরা কয়েকজন মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া করি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পেছনে ধাওয়া করে ট্রাকটি আটক করতে সক্ষম হই।”

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/19/খুলনা-বিভাগীয়-সমাবেশ-ঘি/

আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষায়, “ফায়ার সার্ভিস এসে নিহত ব্যক্তির কাছে থাকা পরিচয়পত্র দেখে পরিচয় নিশ্চিত করে। এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত গতির কারণে এমন প্রাণহানি দিন দিন বাড়ছে।” খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পরে মরদেহ ও মোটরসাইকেল আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।”

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনযযচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, “ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা ট্রাকটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট-১৫-১৬৫৪।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/19/আলমডাঙ্গায়-সরকারি-সম্পদ/

এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, কালিদাসপুর সাদাব্রিজ সংলগ্ন সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ। ভারী যানবাহনের বেপরোয়া গতি, অপর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।স্থানীয়দের দাবি, সড়কটিতে দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড, স্পিড ব্রেকার এবং নিয়মিত ট্রাফিক নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতেও এমন মর্মান্তিক প্রাণহানি রোধ করা কঠিন হবে। একটি দুর্ঘটনা শুধু একটি প্রাণই কেড়ে নেয় না, ভেঙে দেয় একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ। হাবিবুর রহমানের মৃত্যু সেই নির্মম বাস্তবতারই আরেকটি বেদনাদায়ক স্মারক হয়ে রইল।