আলমডাঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জাম
- আপডেট সময় : ০৪:২২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, রশি এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলায় মাদক, চোরাচালান ও ডাকাতি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (২০ জুন) ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে আলমডাঙ্গা থানার এসআই (নিঃ) শোভন কুমার কুন্ডুর নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম রাত্রীকালীন মোবাইল ডিউটির সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/21/রিক্রুটমেন্ট-ডিউটিতে-নিয/
অভিযানটি চালানো হয় আলমডাঙ্গা থানার নওদা বন্ডবিল কবরস্থান সংলগ্ন পূর্ব পাশে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা মহাসড়কে। সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মেহেরপুর জেলার গাংনী থানার ভোলাডাঙ্গা গ্রামের সুজন আলী ওরফে সুজন শেখ (৩৫), কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কাকিলাদহ গ্রামের শরিফুল ইসলাম (৪৫) এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর বোয়ালদহ গ্রামের আনোয়ার হোসেন ওরফে আনা (৫২)।
তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে দুটি চাইনিজ কুড়াল, একটি লোহার হাসুয়া, একটি মোটরচালিত পাখি ভ্যান (চারটি ব্যাটারিসহ), প্রায় ২০ হাত নাইলনের রশি এবং একটি সিমেন্টের বস্তা উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত পাখি ভ্যানটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/21/বাংলাদেশ-সেনাবাহিনীতে-লে/
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে আরও কয়েকজন সহযোগী জড়িত রয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজন চিহ্নিত আসামি ছাড়াও চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযানের সময় তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এ সফল অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, সময়মতো অভিযান পরিচালনার ফলে সম্ভাব্য একটি বড় ধরনের অপরাধ সংঘটনের আগেই তা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।






















