শরীয়তপুরে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা
- আপডেট সময় : ০৪:১৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। ঈদের সময় নতুন পোশাক থাকবে না তা কি হয়? না মোটেও নয়, ধনী কি়ংবা গরীব সবাই তার সাধ্যমত পবিত্র ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করে নতুন পোশাক। আর সেই ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে কেনাবেচা জমে উঠছে শরীয়তপুরে পোশাক, কসমেটিকস এবং জুতার মার্কেট সহ বিপনী বিতান গুলোতে।
বাহারী রঙের দেশি-বিদেশী পোষাক, নানান ব্যান্ড্রের জুতা ও সেন্ডেল, কসমেটিকস প্রশাধনী সাজিয়ে বসেছেন দোকানীরা। ঈদের পোষাক, জুতা ও কসমেটিকস কেনার জন্য সব শ্রেণীর মানুষ ছুটছেন দোকানে দোকানে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত থাকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং বাজার সহ সমগ্র জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন বাজারের বিপনী-বিতানগুলো।
সরেজমিনে শরীয়তপুর শহরের প্রানকেন্দ্র পালং বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে শরীয়তপুরে ততই কেনাবেচায় ব্যস্থ হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত শহরের প্রতিটি বিপনী বিতানে ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে। ছেলেদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের জিন্স প্যান্ট, শার্ট, টি-শার্ট, পাঞ্জাবী ইত্যাদি। মেয়েদের জন্য রয়েছে দেশী-বিদেশী নানান ধরনের থ্রিপিচ, গজ কাপড়, রেডিমেড পোশাক, বিভিন্ন ধরনের শাড়ি। বাচ্চাদের জন্য রয়েছে নানান ধরনের চোখ জুড়ানো বাহারি ডিজাইনের পোশাক। এছাড়া নারীদের পাকিস্তানি ও ইন্ডিয়ান থ্রি-পিচের এ বছর বেশ চাহিদা। তাছাড়া দেশী ও ইন্ডিয়ান শাড়ীর কদর ও কম নয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/12/আলমডাঙ্গায়-২৫-মার্চ-গণহ/
শরীয়তপুরের পালং বাজারে ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতাগনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে বাজার দর মোটামুটি স্বাভাবিকই আছে তারা আনন্দের সাথেই কেনাকাটা করছেন। আবার কেউ কেউ পরিবারের কেনাকাটা শেষ করে এখন নিজের কেনাকাটা করছেন। তবে গত বছরের চাইতে দামটা একটু বেশি বলেও অনেকে জানান।
শরীয়তপুর শহরের বিভিন্ন বস্ত্র বিতানের মালিক গন বলেন, বেচাকেনা ভালই হচ্ছে রোজার প্রথম দিকে ক্রেতার চাপ একটু কম ছিল তবে এখন ভালই হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে আশা করি বেচাকেনা ভাল হবে। ঢাকা শহর শরীয়তপুর জেলার নিকটে আর এখন পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় ঢাকা যাতায়াত খুবই সহজ হয়ে গিয়েছে তাই অনেকেই ঈদের কেনাকাটা করার জন্য রাজধানীতেও যাচ্ছে।




















