সিরাজগঞ্জে ফুয়েল কার্ড বিতরণ মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড়
- আপডেট সময় : ০৬:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক করায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে কার্ড সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে আসা চালকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালকেরা জাতীয় পরিচয়পত্র, রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেসসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কার্ডের জন্য আবেদন করছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কার্ড প্রদান করছেন। তবে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আবেদনকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল খালেক পাটোয়ারী জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফুয়েল কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকৃত যানবাহন মালিক ও চালকদের যাচাই করে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এদিকে মোটরসাইকেল চালকদের অভিযোগ, হঠাৎ করে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনেকেই আগে থেকে বিষয়টি জানতে পারেননি। ফলে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষ কার্ড নিতে আসায় ভিড় তৈরি হয়েছে। তবে বিনামূল্যে কার্ড দেওয়ার উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দ্রুত কার্ড হাতে পেলে জ্বালানি সংগ্রহে ভোগান্তি কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/31/ভারতের-বিহারে-মন্দিরে-পু/
প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ থেকে ৩১ মার্চ অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত) ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনোভাবেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করা হবে না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জ উপজেলায় মাত্র ছয়টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও বরাদ্দকৃত জ্বালানির তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। এ কারণে এলাকায় পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই মূলত ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, http://www.dailyamaderpatrika.com/category/সারাদেশ/
যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিলার ঘুড়কা সমবায় ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আব্দুল গাফফার জানান, মাসিক চাহিদার ভিত্তিতে প্রায় ৩ হাজার লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন পাই। আগে যা এক মাসে বিক্রি হতো, এখন তা মাত্র দুই দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। কার্ড সংগ্রহকারী মো. লিটন ও নাজমুল হুদা বলেন, সকাল থেকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে ফুয়েল কার্ড পেয়েছি। এই প্রক্রিয়া আরও সহজ করার দাবি জানান তারা।




















