জীবননগরে কৃষিতে স্বস্তির বার্তা: ৬ হাজার কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বীজ ও সার
- আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
কৃষকের হাসিই দেশের সমৃদ্ধির প্রতিচ্ছবি। সেই হাসি ফুটিয়ে তুলতেই চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় শুরু হয়েছে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি। পাট, গ্রীষ্মকালীন মুগ, তিল ও উফশি ধানের আবাদ বাড়াতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে কৃষি খাত।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/06/ওয়ালটন-প্লাজার-সামনে-অভ/
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চলতি অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের খরিপ মৌসুমের এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল। উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএনও বলেন, “সরকারের এই প্রণোদনা শুধু সহায়তা নয়, এটি কৃষকের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। বিতরণকৃত বীজ ও সার সঠিকভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হবে।”তিনি আরও জানান, বর্তমান ডিজেল সংকটের কারণে কৃষকদের যে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে প্রত্যায়নপত্র প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা নির্ধারিত এজেন্ট পয়েন্ট থেকে সহজে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে তেল মজুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন জানান, এ কর্মসূচির আওতায় জীবননগরে মোট ৬ হাজার কৃষকের মধ্যে ৫ কেজি করে উফশি ধানের বীজ বিতরণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/06/মাদকমুক্ত-নিরাপদ-সমাজ-গড/
এছাড়া ৫০০ জন কৃষক পাচ্ছেন পাটের বীজ, ২০০ জন মুগের বীজ এবং ১৩০ জন কৃষক পাচ্ছেন তিলের বীজ। প্রতিটি কৃষককে ডিএপি ও পটাশ সার সরবরাহ করা হচ্ছে, যা তাদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুর জব্বার, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির উদ্দিন, উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা জামিল আক্তার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন এবং সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।কৃষকদের প্রত্যাশা, সময়মতো এই প্রণোদনা তাদের মাঠের ফসলকে সমৃদ্ধ করবে এবং ঘরে তুলবে আশার সোনালি ফসল। আর এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে কৃষিই হবে গ্রামীণ অর্থনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি—এমনটাই মনে করছেন।




















