গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আলমডাঙ্গায় সমন্বিত পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০১:১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে
গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, জনবান্ধব ও জনপ্রিয় করে তুলতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় “গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আক্তার। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার দে, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. বশিরুল আলম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এন এইচ শাওন।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/14/মাদারীপুর-জেলা-হাসপাতালে/
এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর ব্যবস্থা। এটি বিচারপ্রার্থীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুত ও সহজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে এখনও অনেক মানুষ গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও এর সুবিধা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, গণমাধ্যমে প্রচার বৃদ্ধি, ইউনিয়ন পর্যায়ে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভার আয়োজন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা জোরদার এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আক্তার বলেন, “গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর মাধ্যম।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/14/প্রয়াত-নেত্রী-খুরশীদ-জা/
স্থানীয় বিরোধ দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।” কর্মশালাটি স্থানীয় সরকার বিভাগের বাস্তবায়নাধীন “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প”-এর আওতায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/14/চুয়াডাঙ্গার-জীবননগর-সীম/
অনুষ্ঠানে বক্তারা গ্রাম আদালতের জনপ্রিয় স্লোগান—“অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”—সাধারণ মানুষের মাঝে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির আরও কার্যকর ও আস্থাশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। এটি স্থানীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকার জন্য উপযোগী একটি পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রতিবেদন।




















