উত্তরপ্রদেশে আইসক্রিম বিক্রেতার মুন্ডু কেটে বাড়িতে নিয়ে রান্না প্রৌঢ়ের
- আপডেট সময় : ১০:৫৬:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে
২৫বছরের আইসক্রিম বিক্রেতার মুন্ডু কেটে খুন। এখালনেই থেমে নেই ঘটনাটি। ৫০ বছর বয়সি অভিযুক্ত ব্যক্তি আইসক্রিম বিক্রেতাকে খুনের পর, তাঁর কাটা মুন্ডুটি হাতে ঝুলিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর সেই মুন্ডু পাশে রেখেই রান্না করেন নিজের বাড়িতে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/30/ভূমি-দখল-মাদক-ও-বালু-মহল-দু/
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে প্রকাশ, ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারাবাংকি জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, পারসাওয়াল গ্রামে প্রতিদিন আইসক্রিম বিক্রি করতে যেতেন বাবলু নামের ওই যুবক। শনিবার (২৮ মার্চ ) গ্রামে আইসক্রিম বিক্রি করতে গিয়েছিলেন। সেখানে শৎকর যাদব নামের এক স্থানীয় ব্যক্তির সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল তাঁর। বসচা চলাকালীন হঠাৎ দা দিয়ে বাবলুর গলায় কোপ বসিয়ে দেন শংকর। জনসমক্ষে বাবলুর গলায় কোপ দিয়েই মুন্ডু কেটে আলাদা করে দেন। এরপর কাটা মুন্ডুটি রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। তাও আবার সকলের চোখের সামনে হাতে ঝুলিয়ে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/03/30/ত্রিপুরায়-৮-বছরের-শিশুক/
এরপর উনুন জ্বালিয়েই ওই কাটা মুন্ডু রান্না করতে শুরু করেন। খুনের পরেই পুলিশের কাছে স্থানীয়রা খবর পাঠান। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। গোটা এলাকা ঘিরে শংকরের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ। রান্নাঘরে ঢুকেই শংকরকে রান্না করতে দেখে তাঁরা। উনুনের পাশেই রাখা ছিল বাবলুর কাটা মুন্ডুটি। দ্রুত অভিযুক্ত শংকরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র, কাটা মুন্ডুটিও উদ্ধার করে তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, বাবলুর স্ত্রী, দুই সন্তান রয়েছে। বাড়ির সবচেয়ে বড় ছেলে ছিলেন। সংসার চালানোর দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। বাবলুর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কি কারণে শংকরও বাবলুর মধ্যে বচসা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

























